এসি কেনার ক্ষেত্রে যে ঘরে এসি লাগানো হবে সেই ঘরের মাপ অনুযায়ী এসি কিনতে হয়। ছোট ঘরে ছোট এসি, আর বড় ঘরে বড় এসি।
সাধারণত ঘরের মাপ যদি ১০০ বর্গ ফুট হয়, তাহলে ১ টনের এসিতেই কাজ চলে যায়। একই ভাবে ১৫০ বর্গফুট হলে এসি লাগে ২ টনের। নাহলে ঘর ঠিকমতো ঠান্ডা হয় না। অকারণে বিদ্যুত খরচ হবে।
বাড়ির সেট আপ অনুযায়ী ঠিক করতে হয় কোন ধরনের এসি কাজে লাগবে। স্প্লিট এসি, উইন্ডো এসি, পোর্টেবল এসি নাকি সেন্ট্রাল এসি; সেটা ঠিক করা সবার আগে প্রয়োজন।
দীর্ঘমেয়াদের জন্য কোন এসি গুরুত্বপূর্ণ, সেটাই হিসাব করতে হবে। ৫ স্টার এসিতে বিদ্যুত সাশ্রয় হয়। ফলে বিল কম আসে। ইনভার্টার এসিতে আরও বেশি বিদ্যুত বাঁচে। অন্যদিকে ৩ স্টার এসির দাম কম হলেও বিদ্যুত খরচ বেশি হয়।
আধুনিক এসিতে একাধিক ফিচার থাকে। ওয়াই-ফাই, টাইমার, লো নয়েজ মোডের মতো। আপনার জন্য কোনটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটাও দেখে নিতে হবে আপনাকে।
বর্তমান পরিবেশে অ্যান্টি ডাস্ট ফিল্টার, অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল ও আলট্রা ভায়োলেট ফিল্টার ও অটো ক্লিন ফিচার থাকলে ব্যবহারকারীর সুবিধা বাড়ে। কারণ, এতে ঘরের বাতাস পরিষ্কার থাকে।
যে কোনও এসি কেনার আগে দেখে নিন আপনার শহরে ওই এসি সংস্থার সার্ভিস সেন্টার রয়েছে কি না। এ ছাড়াও কত বছরের কম্প্রেসরের ওয়ারেন্টি রয়েছে, সেটাও দেখে নিন।
তাহলে এসি কেনার আগে ঘরের সাইজ দেখে এসি নিন। বিদ্যুত বাঁচাতে চাইলে ইনভার্টার এসি নিন।
এ ছাড়াও আরও যে সব সরকারি ফিচার থাক প্রয়োজন, সেগুলো আপনার প্রয়োজন মতো সাজিয়ে নিতে হবে আপনাকে।
শুধু দাম দেখে নয়, দীর্ঘমেয়দে কোন এসি আপনার কতও খরচ করাতে পারে, সেটাও দেখে নিয়ে, তারপরই এসি কিনুন।

