তৃণমূল আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে সাধারণ মহিলাদের জন্য বরাদ্দ ছিল মাসে দেড় হাজার টাকা। বিজেপি আমলে এই প্রকল্পের নাম বদলে হয়েছে 'অন্নপূর্ণা যোজনা'। দ্বিগুণ হয়েছে টাকার অঙ্ক।
১ জুলাই নেতাজি ইন্ডোরের অনুষ্ঠান থেকে দুই ২৪ পরগনর কলকতা, হাওড়া ও হুগলি-র ৫ মহিলার হাতে প্রকল্পের শংসাপত্র তুলে দেন মখ্যমন্ত্রী।
ছিলেন সহ অন্যান্য মন্ত্রী ও মুখ্যসচিব।
তৃণমূল জমানায় মহিলাদের জন্য় চালু হওয়া প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-এর টাকা যারা পেয়েছিলেন , তারা সকলেই পাবেন না অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা। এক্ষেত্রে কী কী শর্ত মানা হচ্ছে, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের উপভোক্তাদের তালিকা যাচাই করতে গিয়ে বড়সড় অসঙ্গতি সামনে এসেছে । প্রায় ২ কোটি উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে এই প্রকল্পের টাকা পৌঁছেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সমীক্ষা ও যাচাই চালিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২৭ লক্ষ মহিলার নাম নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। দাবি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কারও নাম ভোটার তালিকায় নেই, আবার কেউ ভারতীয় নাগরিক নন।
মুখ্যমন্ত্রীর তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, সরকারি অর্থ কোনও অভারতীয় ব্যক্তি পেতে পারেন না। সেই কারণেই উপভোক্তাদের পরিচয়, নাগরিকত্ব এবং ভোটার তালিকায় নামের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়েছে। যাচাইয়ে যাঁদের ক্ষেত্রে অসঙ্গতি ধরা পড়েছে, তাঁদের নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা ট্রাইবুনালে আবেদন করেছিলেন, তাদেরকেও আমরা যতক্ষণ না ট্রাইবুনালে তাদের বাতিল বলে ঘোষণা করছে, তাদের এই ভাতা চালু রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।
তৃণমূল জমানায় মহিলাদের জন্য় চালু হওয়া প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-এর টাকা কীভাবে পুরুষরা পেয়েছিলেন, তা এখন সামনে আসছে। সেই বিষয়টা নিয়েও এদিন সুর চড়ান মুখ্য়মন্ত্রী ।

