Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Bardhaman News: রাতের অন্ধকারেই সব শেষ, সর্পদংশনে মৃত মা ও মেয়ে, আশঙ্কাজনক অবস্থা হাসপাতালে ভর্তি আরও এক মেয়ে

Bardhaman News: রাতের অন্ধকারেই সব শেষ, সর্পদংশনে মৃত মা ও মেয়ে, আশঙ্কাজনক অবস্থা হাসপাতালে ভর্তি আরও এক মেয়ে

মলকৃষ্ণ দে, বর্ধমান: একসঙ্গে একই পরিবারের তিনজনকে পর পর সাপের কামড়, ঘরের মধ্যেই ঘুমন্ত অবস্থায় সর্পদংশনের ঘটনা, মৃত ২, আশঙ্কাজনক ১। গভীররাতে নিঃশব্দে ঘরে ঢোকে সাক্ষাত যমদূত, ঘুণাক্ষরেও টেরই পাননি পরিবারের সদস্যরা, নিমেষে সাপের কামড়ে প্রাণ হারালেন মা ও মেয়ে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও এক মেয়ে।

বিষধর সাপের কামড়ের হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় মা ও ছোট মেয়ের মৃত্যুর দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বড় মেয়ে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভাতার থানার গর্দানমারি গ্রামের ঘটনা। মৃতদের নাম পাকু হেমব্রম (৩৫) ও রিয়া হেমব্রম (৭)। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে,পাকু হেমব্রম তাঁর দুই মেয়েকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। শনিবার ভোরে মা ও দুই মেয়েকে বিছানাতেই সাপে কামড়ায়। দংশনের জেরে কিছুক্ষণ পর তিনজনই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরিজন ও প্রতিবেশীরা খবর পেয়ে তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসেন।এরপরেই চিকিৎসক পাকু হেমব্রম-কে মৃত বলে ঘোষণা করেন।ভর্তির ঘণ্টাখানেক মধ্যে তাঁর ছোট মেয়ে রিয়াও মারা যায়। অন্যদিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বড় মেয়ে অনুপ্রিয়া হেমব্রম।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকু হেমব্রমের স্বামী সাধন হেমব্রম চেন্নাইয়ে পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজ করেন। ভাতার থানার পুলিশ তার স্বামী সাধন হেমব্রম কে সর্পদংশনের ঘটনার খবর দেয়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই বর্ধমানে লোকাল ট্রেনের প্যানটোগ্রাফ তারের সঙ্গে জড়িয়ে বিপত্তির ঘটনা ঘটে। আটকে পড়ে ট্রেন। ফলে হাজার হাজার যাত্রী নাকাল হন। আজ দুপুর দুটো নাগাদ আপ বর্ধমান স্পেশাল লোকালে ঘটনাটি ঘটে।

রেল সূত্রের খবর, ট্রেনটি যখন হাওড়া স্টেশন ছেড়ে রওনা দেয় ঠিক ১০০ মিটার দূরে হঠাৎ ট্রেনটির প্যানটোগ্রাফ তারের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। এর ফলে ট্রেনটি লাইনের উপর দাঁড়িয়ে পড়ে। এর ফলে হাওড়া স্টেশনে ঢোকার মুখে বেশ কয়েকটি লাইন ব্লক হয়ে যায়। এর ফলে আপ এবং ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়।

হাজার হাজার যাত্রী বাধ্য হয়ে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন ধরে হাঁটতে হাঁটতে হাওড়া স্টেশনের দিকে রওনা দেন। রেল সূত্রে খবর, এক থেকে চার নম্বর প্লাটফর্ম পর্যন্ত ট্রেন চলাচল সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হয়। পরে রেল কর্তৃপক্ষ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেরামতির কাজ করলে দুপুর সাড়ে তিনটের নাগাদ ট্রেনটি ছেড়ে যায়। এরপর ট্রেন চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়। তবে রেল যাত্রীরা জানিয়েছেন দীর্ঘক্ষণ ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকার ফলে তারা দূরপাল্লার ট্রেন মিস করেছেন। অনেকে সময় মতো হাওড়া স্টেশনে পৌছাতে পারেননি।

Author : ঋষভ রায়

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: ABP Ananda