আবির দত্ত, হিন্দোল দে ও আশাবুল হোসেন, কলকাতা: বারুইপুরে ভয়াবহ নৃশংসতার শিকার হয়েছে এক নাবালিকা। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। পথে নেমেছে বিরোধীরা। নিহত নাবালিকার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন কালীঘাট তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। আজ বারুইপুর থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখায় সিপিএমের যুব সংগঠন।
আজ মঙ্গলবার, বারুইপুরে যাবে ঋতব্রত-তৃণমূলের নেতারা।
পশ্চিমবঙ্গের বুকে ভয়ঙ্কর ঘটনা, 'বারুইপুরে শেষ ছোট্ট মেয়ে। যৌন নির্যাতনের পর খুন। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনীতি। সোমবার বিকেলে নিজের বাড়ি থেকে মোমবাতি মিছিল করেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। স্লোগান ওঠে জাস্টিস ফর বারুইপুর। তার আগে রবিবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় অভিযোগ করেন, তিনি বারুইপুর যেতে চান, এই আভাস পেতেই কার্যত গৃহবন্দি করা হয়েছে তাঁকে।তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আমি ভেবেছিলাম, আমি তাদের (নিহতের) পরিবারে একাই যাব এবং গিয়ে তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে একটু দেখা করব, তাদের কথা শুনে আসব। পুরোপুরি প্রায় এক হাজার পুলিশ, CRPF থেকে শুরু করে আরও সমস্ত পুলিশ সবাই মিলে সেখানে জমায়েত হয়েছে। কী না তো আমাদের নজরবন্দি করা রাখা হয়েছে, আমি শুনছি।'
পঞ্চায়েত মন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, হঠাৎ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তারা তড়িঘড়ি করে কথা বলছে। গিয়ে তো নাটকই করবে। নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার বারুইপুর থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখায় সিপিএমের যুব সংগঠন। সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, মানুষ বারুইপুরের এই ঘটনার বিরুদ্ধে, গোটা রাজ্যের মানুষ বিচার চায়। জাস্টিস ফর বারুইপুর। এর শেষ আমরা দেখে ছাড়ব। মঙ্গলবার, বারুইপুরে যাবে ঋতব্রত-তৃণমূলের নেতারা।
Author : রীতম তালুকদার

