কলকাতা: রাহুলের মৃত্যুর পর তাঁর বিচার চেয়ে পথে নেমেছেন অভিনেতার সহকর্মীরা। অন্য়দিকে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর অভিনব প্রতিবাদে সামিল হলেন অভিনেতা জীতু কামাল। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে প্রয়াত অভিনেতার ছবিতে ফুলের মালা পরানো, এমনকী প্রদীপ ও আরও কিছু কাগজ রাখা। সেখানে জীতুর নিজের ছবিতেও মালা পরানো?
কিন্তু কেন? এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজেই জানালেন।
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পরই বিভিন্নভাবে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ভয়ঙ্কর সব বক্তব্য় রেখেছেন জীতু কামাল। প্রোডাকশনের বিরুদ্ধে নামারকম অভিযোগ উঠছে। নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এদিন নিজের প্রতিবাদে সামিল হয়ে জীতু বলছেন, ''আমি ফোরামের মেম্বার। আমি তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, যাঁরা ফোরামের মেম্বার তাঁদের আমি গত ১৬ মার্চ বলেছিলাম যে একটা প্রোডাকশন হাউজের কাজ করতে গিয়ে আমি হাসাপাতালে ভর্তি হই। আবার আমাকে ডাকা হয়েছে সেখান থেকে যে শ্যুটিংটা শেষ করে যেতে। সেই একই জিনিসের মধ্য়েই আমাক ফেলা হয়। ধুলোবালিতে আমার শ্যুটিং করা বারণ ছিল। কিন্তু তা শোনেনি প্রোডাকশন হাউজ। আমাকে গালিগালাজও করা হয় শেষের দিন।''
জীতু আরও বলেন, ''আমি অনেক ফোরামের তাবড় তাবড় অভিনেতাদের, যাঁদের আমরা অভিভাবক বলি, তাঁদের ফোন করেছি..কথা বলতে চেয়েছি। কিন্তু কোনও বার্তা আসেনি। আমি আমার বক্তব্যের মধ্যেও লিখেছি যে আমাকে যদি ইন্ডাস্ট্রি ছেড়েও দিতে হয়, অনেক গুণী, অভিনেতাদের অভিনেতাদের ক্ষেত্রেও তো এমন হয়েছে। আমার অসুবিধে নেই। আমি ছেড়ে চলে যাব। কিন্তু এর শেষে দেখে ছাড়ব আমি।''
জীতু আরও বলেন, ''ধুলো, ধুয়োর মধ্যে আমাদের শ্যুটিং করতে হয়। আমি সেদিন সারাদিন বলেছি যে আমার শ্বাসনালীতে কষ্ট হচ্ছিল, ইনফেকশন হয়। আমি সারাদিন বলেছি যে আমার শরীর খারাপ লাগছিল। বিকেলে আমি ব্ল্যাঙ্ক আউট হয়ে যাই। বিশ্বনাথ বসু আমাকে অ্য়াম্বুলেন্স করে আর এন টেগোরে পাঠান। প্রোডাকশন কোনও দায়িত্ব নেই। ফোরামের সেক্রেটারিও দাঁড়িয়ে ছিল। এরপর প্রোডাকশন হাউস থেকে বারবার ডেট চাওয়া হয়। আমি বলেছিলাম যে আমাকে ধুলোর মধ্য়ে কাজ করতে বারণ করা হয়েছে। সেই সময় প্রোডাকশন থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে সাবধনতা অবলম্বন করে কাজ করা হবে। কিন্তু আমি যখন পুণরায় শ্য়ুটিংয়ে যাই, সেখানে দেখি আরও বেশি পরিমাণ ধুলোর মধ্যে কাজ করতে হবে। সেক্টেটারি সেখানেও কোনও মন্তব্য করেননি।''
Author : ABP Ananda

