কলকাতা: দিল্লিতে তৃণমূলত্যাগী বিদ্রোহীমুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিকে সংসদে থেকেও ফের NDA-এর বৈঠকে গরহাজির ৩ সাংসদ। গেলেন না NCPI-তে যোগ দেওয়া আবু তাহের, খলিলুর রহমান, ইউসুফ পাঠান। যা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে।বৈঠক শেষ হতেই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যকুণাল ঘোষের।
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল ঘোষ বলেন, 'তিন জন হয়তো মিটিংয়ে যাননি। আরও দুয়েক জন যাননি। কেউ বোধহয় শুটিংয়ে, কেউ বোধহয় অমুক। কে কী এক্সকিউজ দিচ্ছে, আমি তো বলতে পারব না, আমি এইটুকু বলছি, ৬ এর বেশি সাংসদ ওদের সঙ্গে নেই। এখন একটা জাঁতাকলে পড়ে গেছেন। তার কারণ তাঁরাও বুঝতে পারছেন, তাঁদের এলাকায় তো ভোট চেয়েছেন। মোদি হঠাও, দেশ বাঁচাও বলে ভোট চেয়েছেন। বিজেপি বিরোধী ভোটাররা, সুপ্রিম কোর্টে যাবে। এদের এমপি থাকার কোনওরকম নিয়মমাফিক, রীতিমাফিক, নীতিমাফিক, কোনও অধিকার নেই।'
তিনি আরও বলেন, 'স্বমহিমায় সুদীপ শব্দটা নয়, কলঙ্কিত সুদীপ। তাঁর কারণ বিশ্বাসঘাতকদের কোলে বসিয়ে, বিল পাশের জন্য সাংসদের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। এটা বিজেপির একটা দৈন্যতা। এবং এখানে কিছু বেইমান গদ্দার , যারা তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে, মমতাদির প্রার্থী হয়ে, অ্যান্টি বিজেপি মানুষের ভোট পেয়ে দিল্লি গেছে। আর গিয়ে তাঁরা, নরেন্দ্র মোদির সমর্থনে বসছে। এই বৈপরীত্যটাই বিশ্বাসঘাতকতা।'
তাহলে কি আরও ভাঙাভাঙির খেলা চলবে? কুণাল ঘোষ বলেন, পুলিশটা সরিয়ে দিন না। ১৭ জন MP আর NCPI-এর নাম করবে না। ২৪ ঘণ্টার নোটিসে ওদের MLA-দের মধ্য়ে থেকে ৫৬ জন থেকে ৫৮ জনকে নিয়ে এখানে আমরা মিছিল করব। ('ঋতব্রত-তৃণমূল') বিধায়ক মদন মিত্র বলেন,আমি মনে করি যে যাদের ব্য়াপারে কুণাল বলেছে তাদের এক্ষুনি মানহানির মামলা করা উচিত। এরইমধ্য়ে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, আমরা তো আগেই বলেছিলাম যাহা বিজেপি, তাহাই তৃণমূল। সেটাই তো বাস্তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি।'
Author : রীতম তালুকদার

