Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Madhya Pradesh News: অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে অটোয় উঠলেন প্রসূতি, রাস্তাতেই চার-চারটি সন্তান প্রসব, বাঁচল না একটিও

Madhya Pradesh News: অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে অটোয় উঠলেন প্রসূতি, রাস্তাতেই চার-চারটি সন্তান প্রসব, বাঁচল না একটিও

ভোপাল: দিকে দিকে সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের ছড়াছড়ি। অথচ বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর ঘটনায় কোনও বিরাম নেই। এবার ভয়ঙ্কর ঘটনা সামনে এল মহারাষ্ট্র থেকে। অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে অটো রিকশায় চেপে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন অন্তঃসত্ত্বা এক মহিলা। সেই অটো রিকশার মধ্যেই চার-চারটি সন্তান প্রসব করলেন তিনি।

কিন্তু জীবিত রইল না একটিও। (Woman Delivers Babies in Auto-Rickshaw)

মধ্যপ্রদেশের মন্ডলা থেকে এই মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এল। বিছিয়া ব্লকের বাসিন্দা ২৮ বছর বয়সি রজনী সিন্দ্রম। সাতমাসের গর্ভাবস্থা চলছিল তাঁর। মঙ্গলবার হঠাৎই প্রসববেদনা শুরু হয় তাঁর। ১০৮-এ ফোন করে প্রথমে অ্যাম্বুল্যান্স বুক করার চেষ্টা চালান। কিন্তু কোনও অ্যাম্বুল্যান্স নিতে আসেনি তাঁকে। (Madhya Pradesh News)

উপায় না দেখে, একটি অটো রিকশার ব্যবস্থা করেন রজনী। প্রথমে ঘুটাস প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছন। সেথানে প্রাথমিক চিকিৎসা হয় তৈঁর। বিছিয়ারই একটি কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে রেফার করা হয় তাঁকে। সেখানে যাওয়ার পথে প্রসব বেদনা আরও চরমে ওঠে। অটো রিকশার মধ্যেই চার-চারটি 'প্রিম্যাচিওর' সন্তান প্রসব করেন তিনি।

সেই অবস্থাতেই কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে পৌঁছয় অটো রিকশাটি। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা সদ্যোজাত চারটি শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন। রজনী এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। প্রশ্ন উঠছে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে।

'অনেক নোংরামো দেখিছি, করেনি বলতে পারছি না', মুখ খুললেন বারুইপুরে এনকাউন্টারে নিহত প্রভাসের স্ত্রী

স্থানীয় সংবাদমাধ্যনে রজনী জানিয়েছেন, সকাল ৮টার সময় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। সব চেষ্টা করেও শেষরক্ষা হল না। রজনীর স্বামী ধনেশ সিন্দ্রম বলেন, '৬-৭ মাস চলছিল। অটো রিকশায় চাপিয়ে আনতে হয় আমাদের। অ্যাম্বুল্যান্স পাওয়া যায়নি। রাস্তাতেই সন্তান প্রসব করে ফেলে। চারটি শিশুই মারা গিয়েছে।'

বিছিয়ার ব্লক মেডিক্যাল অফিসার অনুপ কুমার ভারতী জাবিয়েছেন, ৩০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা ছিল। হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই সন্তান হয়ে যায়। তাদের ওজন অত্যন্ত কম ছিল। হাসপাতালের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, চারটি শিশুক ওজন ছিল যথাক্রমে ১.৫ কেজি করে। যদিও পরিবারের দাবি, সময় মতো অ্যাম্বুল্যান্স পাওয়া গেলে, ভাল মতো চিকিৎসা হলে এই পরিণতি হতো না।

Author : পম্পা অধিকারী সিংহ

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: ABP Ananda