আবির দত্ত, কলকাতা : IS ও আল কায়েদার জেহাদি মতাদর্শ প্রচারের অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশজুড়ে ২০ জায়গায় NIA- এর তল্লাশি। বাঁকুড়ার খাতড়ায় মির আসিফ আলির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এই ঘটনায় আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে মির আসিফ আলিকে। বিশাখাপত্তনম এনআইএ তাকে গ্রেফতার করে। তার বাড়ি থেকে নথি ও ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়।
এইসব তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে এনআইএ সূত্রে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, কর্ণাটক, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, গুজরাত, রাজস্থান ও দিল্লিতে NIA তল্লাশি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বিদেশে বসে জঙ্গি হ্যান্ডলরা অনলাইনে দেশের যুব সমাজকে টার্গেট করছে, এমনটাই জানতে পেরেছেন এনআইএ - এর তদন্তকারীরা। ভুয়ো তথ্য দিয়ে দেশ বিরোধী মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে আল কায়েদা এবং আইএসআইএস- এর জঙ্গি মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সবটাই করা হচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি হ্যান্ডলারদের মাধ্যমে। আর পুরো কাজটাই হচ্ছে অনলাইনে। দেশ বিরোধী কার্যকলাপে যুব সম্প্রদায়কে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে, প্রাথমিক তদন্তে এমনটাই জানতে পেরেছেন এনআইএ- এর তদন্তকারীর আধিকারিকরা। সেই সূত্রেই ৮ জুলাই পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের ২০টি জায়গায় এনআইএ- এর তল্লাশি চালানো হয়েছে।
যে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই তল্লাশি চালানো হয়েছে, বিশাখাপত্তনম এনআইএ- এর তরফে প্রথমে মামলা রুজু করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের থেকে তদন্তভার হাতে নেয় এনআইএ। গ্রেফতার হয় ১১ জন। একজন নাবালকও গ্রেফতার হয়েছিল। হেফাজতে নিয়ে সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক ভাবে এনআইএ- এর তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন যে, বিদেশে বসে জঙ্গি সংগঠনের নেতারা অনলাইনে দেশের যুব সম্প্রদায়কে ক্রমাগত ভুল বুঝিয়ে হাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এক হ্যান্ডলারের নামও প্রকাশ্যে এসেছিল, আল হাকিম সুকুর। সেই সূত্র ধরে মহম্মদ রহমতুল্লা শরিফ নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল যে একজন আইএসআইএস জঙ্গি বলে জানা যায়। এই ২ জঙ্গি যুব সমাজের মগজ ধোলাই করার চেষ্টা চালাচ্ছিল বিদেশে বসে, অনলাইনে, এমনটাই জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে, ফের চিটফান্ড তদন্তে অভিযানে নামল ইডি। রাজ্যের মোট ১০ টি জায়গায় অভিযানে নামল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। দুর্গাপুর, হাওড়া ও রানাঘাট-সহ ১০ টি জায়গায় হানা দিল ইডি। ৫০-৬০জন আধিকারিক রয়েছেন তল্লাশি অভিযানে। জারা ডোবিক নামে একটি কোম্পানির বিরুদ্ধে বাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে।
Author : সোহিনী চক্রবর্তী

