পানাগড়, পশ্চিম বর্ধমান: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড পশ্চিম বর্ধমানের পানাগড়ে। প্রথমে একটি স্কুটারের শো-রুমে আগুন লাগে। তারপর ৩ তম বিল্ডিংয়ের পুরোটাতেই সেই আগুন ছড়িয়ে পরে। পানাগড়ের দার্জিলিং মোড়ের কাছে এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে সমগ্র এলাকায়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে চারদিক।
পানাগড়ে ৩ তলা বাড়িতে আগুন। তিন তলা বাড়ির প্রায় পুরোটাই আগুনের গ্রাসে। গ্রাউন্ড ফ্লোরের পুরো স্কুটারের শো-রুম ভস্মীভূত। ঘটনায় এই বাড়ির তিন তলায় বসবাসকারী একটি পরিবাদের সদস্যরা উপরেই আটকে পড়েন। দমকল কর্মীর তাঁদের নিরাপদে উদ্ধার করেন। বাড়ির দোতলায় একটি শিশুদের স্কুল রয়েছে। দমকলের প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ঠিক কী কারণে এই অগ্নিকাণ্ড, তা খতিয়ে দেখছে দমকল।
গত কয়েকদিনে রাজ্যের একাধিক জায়গায় পরপর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তারাপীঠ ও কলকাতার দুটো হোটেলে সবার আগে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। তারপর আগুন লেগে যায় হাওড়ার আন্দুলের আমবাগান মাঠের উল্টোদিকে থাকা একটি আবাসনে। সেই দুর্ঘটনাতেও ১ জনের মৃত্যু ঘটে।
: নীচের তিনটে তলা ডুবেছে কাদায়, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ত্রিশূলী বাজারে দাঁড়িয়ে রয়েছে শুধু একটিই বাড়ি
রাজ্য জুড়ে পরপর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার জেরে কয়েকদিন আগেই হলদিয়ার বিভিন্ন আবাসিক হোটেল খতিয়ে দেখে রাজ্য পুলিশ। তারা হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, হোটেলে ঢোকার ও হোটেল থেকে বেরোনোর পথ খতিয়ে দেখেন। এ ছাড়াও ওই হোটেলগুলোতে পর্যাপ্ত জলের কী ব্যবস্থা রয়েছে, সেটাও খতিয়ে দেখছেন পুলিশ আধিকারিকরা। হলদিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিবেক কুমারের নেতৃত্বে সমস্ত বিষয়টা খতিয়ে দেখতে গিয়েছে পুলিশের দলটি। এ ছাড়াও তাদের সঙ্গে রয়েছে দমকলের আধিকারিকরাও।
এ ছাড়াও গত ২৪ অগস্ট বকখালির হোটেলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে ঝটিকা অভিযান শুরু করে প্রশাসন। কাকদ্বীপ মহকুমা প্রশাসন, দমকল বিভাগ, নামখানা ব্লক প্রশাসন ও পুলিশের আধিকারিকরা হোটেলগুলিতে আচমকা পরিদর্শন করেন। ফায়ার সেফটি লাইসেন্স, অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের কার্যকারিতা এবং রান্নাঘরের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখা হয়। পরিদর্শনে কয়েকটি হোটেলে ফায়ার সেফটি বিধিতে গলদ ধরা পড়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন আধিকারিকরা।
Author : সুপ্রিয় ঘোষ

