হুগলি: চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থীর হয়ে প্রচারে অংশ নিলেন আরামবাগের প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ অনিল বসুর ছেলে সৌম্য বসু। তবে শুধু অংশ নিলেন না, জয় শ্রীরাম স্লোগান পর্যন্ত তুলতে শোনা গিয়েছে তাঁকে।
কে এই অনিল বসু ? কেমন ছিল তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ?
মূলত সৌম্য বসুর বাবা ছিলেন, বাম আমলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা।
আরামবাগ থেকে ৬ বার ভোটে জয় এনেছিলেন এই প্রাক্তন সাংসদ। তিনি একই নির্বাচনী এলাকা থেকে, ১৯৮৯, ১৯৯১, ১৯৯৬, ১৯৯৮, ১৯৯৯ এবং ২০০৪ সালে লোকসভায় পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালে আরামবাগ থেকে ৫৯২,৫০২ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। যা প্রায় সেইসময়কার রেকর্ড ভোট। যদিও এত জয়ের পরেও তার শেষটা ভাল যায়নি। একাধিক বিতর্কিত বিষয় ওঠায় তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
কেন আজ আরামবাগের প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ অনিল পুত্রের মুখে 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান ? কারণ ব্যাখা করলেন নিজেই
প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ অনিল বসুর ছেলে সৌম্য বসু বলেন, জ্যোতি বসুর বামপন্থা অনিল বিশ্বাসের বামপন্থা, সুভাষ চক্রবর্তীর বামপন্থা, এখনকার বামপন্থায় অনেক তফাৎ। হ্যাঁ আমি ছাত্র রাজনীতি করেছি। আমি এসএফআই এর জেলা কমিটিরও মেম্বার ছিলাম। ডিওয়াইএফআই এর জোনাল কমিটিরও মেম্বার ছিলাম। রাজ্যে বামপন্থী নামে যেটা চলছে, সেটার উপর বিশ্বাস রাখতে পারছি না। এটা বামপন্থা চলছে না। রাজ্যের বামপন্থা, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রতিনিধি। ঝা চকচকে এলিটের প্রতিনিধি। বিজেপি এমন একটা দল, যারা হচ্ছে, যারা দেশ ভক্ত। যারা দেশের উন্নতি রয়েছে।...যারা দেশের বিরোধিতা করে, তাঁরা হিন্দু হোক, মুসলিম হোক, খ্রীষ্টান হোক, জৈন হোক, তাঁদের বিরোধী বিজেপি। ক্ষোভ তো সাধারণ মানুষের, ওই জন্য ২.৮ শতাংশ ২০২১ সালে, ২০২৪ সালে ৪.৭ শতাংশ।
চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগ
এবার চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগ এবং তার বিপরীতে ভোটযুদ্ধের ময়দানে চুঁচুড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী পদে দাঁড়িয়েছেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। ভোটের প্রচারে এবার অভিনবত্ব লক্ষ করা গিয়েছে। যেখানে এবারের ভোটের আগে সবথেকে বিতর্কিত বিষয় আমিষ নাকি নিরামিষ। ডবল ইঞ্জিন সরকার এলে কী হবে, এনিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। সম্প্রতি বাজারের ব্যাগ হাতে জনসংযোগ করতে দেখা গিয়েছে বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগকে। তিনি চুচুড়ার বাজারে গিয়ে সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।
Author : ABP Ananda

