মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বেলুড় মঠে এলেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রেসিডেন্ট মহারাজ স্বামী গৌতমানন্দর সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
তাঁর কাছ থেকে আশীর্বাদ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী দর্শন করলেন গর্ভগৃহও। মঠের পক্ষ থেকে আজ তাঁকে কিছু বই উপহার দেওয়া হয় বলে খবর সূত্রের।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার এই প্রথমবার আজই বেলুড় মঠে যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে মহারাজদের সঙ্গে দেখা করে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী।
পুরো মঠ ঘুরে দেখেন এদিন তিনি। যান গর্ভগৃহতেও। এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে বই উপর দেওয়া হয়েছে বেলুড় মঠের তরফে। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর সফরের সেই সকল ছবি বেলুড় মঠের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে। 
রাজ্যে প্রথম দফা ভোটের দিনেই বেলুড় মঠে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মহারাজকে প্রণাম ও শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন তিনি। এক্স হ্য়ান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছিলেন, স্বামী বিবেকানন্দ যেখানে মেডিটেশন করতেন, এদিন সেখানে তিনি গিয়েছেন।
মোদি বলেছিলেন, এটা ভক্তির পৃথিবী। শক্তি, ক্রান্তি এবং সংষ্কৃতি নিয়ে এই পৃথিবী। এবং আজ এই পৃথিবীতে পরিবর্তনের ঝড় দেখতে পাচ্ছি। যে জোশ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, তা ভরসা থেকেই এসেছে।'
এদিনই হাওড়াতেই প্রশাসনিক বৈঠক ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এদিন তিনি বলেন, হাওড়া শহরের প্রাথমিক চাহিদাগুলো পূরণ করে, লং টার্মে হাওড়াকে আরও বিকশিত নগরী তৈরি করা এবং ডিলিমিটেশনের কাজ কমপ্লিট করে।
তিনি বলেন,' যত দ্রুত সম্ভব এই বছরের মধ্য়ে নির্বাচিত কর্পোরেশন বা পুরসভার হাতে দায়িত্বভার হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য় আমরা আজকের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মাননীয় ৪ জন বিধায়ক, তাঁরা কর্পোরেশনকে, পুলিশকে পরামর্শ দেবেন। 
শুভেন্দুর সংযোজন,' সেই পরামর্শ অনুযায়ী, তাঁরা কাজ করবে। আমরা জরুরি কাজ, ৩ মাসের পরিকল্পনা এবং যতক্ষণ না নির্বাচন হচ্ছে কর্পোরেশনের, তার পরিকল্পনা, রেলের সঙ্গে সমন্বয় এবং বিগতদিনে অবৈধ যেসমস্ত বিল্ডিং এখানে তৈরি হয়েছে, তার ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং, অনুসন্ধানকারী টিম তৈরি করে, যতগুলো জলাশয় বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে, তার বিকল্প জলাশয় তৈরি করার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে, আমাদের অন্য়ান্য় যেসমস্ত নীতি-বিরোধী, দুর্নীতি সম্পর্কিত যেসমস্ত কাজ করেছেন কিছু বিল্ডার্সরা, সে বিষয়েও আমরা আলোচনা করে তদন্ত করার ব্য়বস্থা করেছি।' 
এদিন বেলুড় মঠে প্রবেশের সময় চটি খুলে হাঁটু গেড়ে বসে মাথা নামিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী।

