কলকাতা: এসআইআরের (Special Intensive Revision) তালিকা থেকে ২৭ লক্ষ 'বিচারাধীন'-এর নাম বাদ। সেই নিয়ে আজ দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) অফিসে গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। তৃণমূলের সেই প্রতিনিধি দলে ছিলেন ডেরেক ও'ব্রায়েন, মেনকা গুরুস্বামী, সাগরিকা ঘোষের মতো নেতা-নেত্রীরা।
কিন্তু কমিশনের (Election Commission of India) অফিস থেকে বেরিয়েই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক। "আজ যা হয়েছে আমি জীবনে এমন কখনও দেখিনি", সাংবাদিকদের সামনে বলেন তিনি।
ডেরেক জানান, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ৯টা চিঠি লিখেছিলেন নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission of India)। যদিও একটা চিঠিরও নাকি কোনও উত্তর দেয়নি নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India), অভিযোগ ডেরেকের। তাই সবার আগে তাঁরা সেই চিঠি আবারও কমিশনের (Election Commission of India) হতে তুলে দেন। এরপর ছবি দিয়ে, উদাহরণ দিয়ে তাঁরা দেখান কোন আধিকারিকদের ট্রান্সফার করা হয়েছে আর কাদের রাখা হয়েছে। এরপরই নাকি তাঁদের বেরিয়ে যেতে বলা হয়, অভিযোগ ডেরেক ও'ব্রায়েনের। "স্পর্ধা, ও কিছু বলছিল আর আমাদের বলছে এখান থেকে গেট আউট। বেরিয়ে যাও এখান থেকে। আমি মিথ্যা কথা বললে ওর অডিও রিলিজ করুক," ক্ষোভে ফেটে পড়েন রাজ্যসভার সাংসদ।
সেই একই সময় সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে নির্বাচন কমিশন থেকে পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয় "তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সরাসরি কথা"। তারপর সেখানে লেখা হয় "এবারে পশ্চিমবঙ্গে ভয় মুক্ত, হিংসমুক্ত, ছাপ্পা বিহীন, বুথ জ্যামিং ছাড়া নির্বাচন হবে"।
এই পোস্ট দেখিয়ে সাংবাদিকদের সামনে আরও ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডেরেক ও' ব্রায়েন। তিনি বলেন, কমিশনের সঙ্গে এমন কোনও কথাই হয়নি। কমিশন শুধু 'গেট আউট' বলেছে, বলছেন তিনি। "তুমি কার সঙ্গে খেলা খেলছ জানো না", বলেন ডেরেক ও' ব্রায়েন।
Author : সুপ্রিয় ঘোষ

