কুলপি, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে এক তৃণমূল বুথ সভাপতির বাড়ি থেকে বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কুলপি থানার দৌলতপুর গ্রামে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ১৮টি তাজা বোমা, একটি দেশি তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ছয় রাউন্ড গুলি।
: সপ্তাহান্তে বৃষ্টির দাপট, উত্তর থেকে দক্ষিণের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা তথা তৃণমূলের বুথ সভাপতি মণিরুজ্জামান হালদারের বাড়িতে বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুত রয়েছে বলে গোপন সূত্রে খবর পায় পুলিশ। বিষয়টি কুলপি থানার ওসির নজরে আনার পর রাতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে মণিরুজ্জামান হালদারের বাড়ি থেকে ১৮টি তাজা বোমা, একটি দেশি তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি আইনানুগ পদ্ধতিতে বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
: আফতাব আনসারির সেলে মিলল মোবাইল, জেলে বসে কার সঙ্গে যোগাযোগ করছিল কুখ্যাত জঙ্গি?
অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারের পর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কুলপি থানার পুলিশ। কোথা থেকে ওই অস্ত্র ও বিস্ফোরকগুলি এল, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং এই ঘটনায় আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের খবর মেলেনি। পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও বিস্ফোরকের উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসবে বলে জানা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, জেলে বন্দি কুখ্যাত জঙ্গি আফতাব আনসারির সেল থেকে উদ্ধার ২টি রাউটার, জোড়া স্মার্ট ফোন, একটা আইফোন। এ ছাড়াও বাজেয়াপ্ত হয়েছে কার্ড রিডার, পেনড্রাইভ, OTG কেবল, OTG অ্যাডাপ্টার।
২০০২ সালের আমেরিকান সেন্টারে হামলার ঘটনায় মূল চক্রী ছিল এই আফতাব আনসারি। খাদিম কর্তা পার্থ রায় বর্মনের অপহরণের ঘটনা বা গুজরাটের অস্ত্র পাচারের ঘটনা, দুই ক্ষেত্রেই নাম জড়ায় এই আফতাবের। বর্তমানে কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি রয়েছে সে। আর এই বন্দির কাছ থেকেই মিলেছে রাউটার বা মোবাইল ফোন।
Author : সুপ্রিয় ঘোষ

