মুম্বই: ২০১৪ সাল। ভারতীয় ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফর। ব্যাটে-বলের লড়াইয়ের পাশাপাশি যা খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল সেই সময়ে তা ছিল বিহরাট কোহলি ও মিচেল জনসনের মধ্য়ে ঝামেলা। সম্প্রতি বিরাট কোহলি ও ট্রাভিস হেডের মধ্যে যে ঝামেলার খবর উঠে এসেছে, তার পরই ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের মধ্য়েকার সম্পর্ক নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটেই ভারতীয় দলের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী ২০১৪ সালের স্মৃতি উসকে দিয়েছেন। সেই সময় কীভাবে বিরাটের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকেও পুরো ঘটনা সামাল দিতে হয়েছিল তা উল্লখ করেছেন শাস্ত্রী।
কোহলি যখন ড্রেসিংরুমে ঢোকে, আমি ওকে ধরে বলেছিলাম, এখানে এসো, শান্ত হয়ে নিজের ব্যাটিংয়ে মন দাও। সেই সময়গুলো এখন মনে করলে গায়ে কাঁটা দেয়।'
কিছুদিন আগেই আরসিবি বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্য়াচে বিরাট কোহলির সঙ্গে ট্রাভিস হেডের ঝামেলার ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। ম্যাচের শেষে হাত মেলানোর সময় হেডের সঙ্গে বিরাট হাত মেলাননি। এমনকী পরবর্তীতে হেডের স্ত্রীকেও না কি অনেক কথা শুনতে হয়েছে।
খেলা ছাড়তে চেয়েছিলেন বিরাট?
আরসিবি বনাম লখনউ ম্য়াচে ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবেই খেলেছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু এমনটা তো তিনি চাননি। কিন্তু তবুও খেলা না ছেড়ে ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবেই খেলতে চেয়েছেন কিং কোহলি। স্বস্তিক চিকারা বলেন, ''বিরাট কোহলি বলেছিলেন যতদিন ক্রিকেট খেলব, যতদিন আমি পুরোপুরি ফিট থাকব, আমি ইম্প্যাক্ট প্লেয়ারের মতো খেলব না। আমি সিংহের মতো খেলব। আমি পুরো ২০ ওভার ফিল্ডিং করব ও এরপর ব্যাটিংও করব। যেদিন আমাকে ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে খেলতে হবে, সেদিন আমি ক্রিকেট ছেড়ে দেব।" গত বছর বিরাট কোহলি না কি আরসিবি শিবিরে এমন কথাই বলেছিলেন। কিন্ত এই বছরে এমন এক ঘটনা ঘটল যে শেষ পর্যন্ত আইপিএলের মঞ্চে ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবেই খেলতে নামলেন কিং কোহলি। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ব্যাটিং করার সময় চোট পেয়েছিলেন। যার জন্য লখনউ ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় মাঠে দেখা যায়নি কোহলিকে। যদিও ব্যাট হাতে ৩৪ বলে ৪৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন বিরাট।
Author : ABP Ananda

