Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
West Bengal: আচমকাই বিকট শব্দে ধসে পড়ল মাটি, আতঙ্ক এলাকায়, নিম্নচাপের বৃষ্টির জেরে ফের ধস

West Bengal: আচমকাই বিকট শব্দে ধসে পড়ল মাটি, আতঙ্ক এলাকায়, নিম্নচাপের বৃষ্টির জেরে ফের ধস

নোজ বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্ডাল: নিম্নচাপের বৃষ্টি আর তার জেরেই ফের অন্ডালে ধস! ভোরের আলো ফোটার আগেই আচমকা মাটি ধসে পড়ল জনবসতি এলাকায়। আর এই ঘটনাকে ঘিরেই ফের সামনে এল অন্ডালের পরিত্যক্ত খনির আতঙ্ক।

বুধবার ভোর প্রায় পাঁচটা। অন্ডাল থানার হরিপুর ৭/৯ কোলিয়ারির মণ্ডলপাড়া এলাকা। আচমকাই বিকট শব্দে ধসে পড়ে মাটি।

মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। অল্পের জন্য বড়সড় বিপদ এড়ানো গেলেও, ফের প্রশ্নের মুখে এলাকার নিরাপত্তা।

স্থানীয়দের দাবি, এই জায়গাতেই রয়েছে কোম্পানি আমলের বহু পুরনো একটি পরিত্যক্ত খনি। খনি বন্ধ হয়ে গেলেও তার আশপাশে তৈরি হয়েছে একের পর এক বাড়িঘর। ফলে বর্ষা এলেই ধসের আশঙ্কায় কার্যত আতঙ্কে থাকতে হয় বাসিন্দাদের। আর এবারও উঠছে পুরনো অভিযোগ। স্থানীয় বিজেপি যুব মোর্চার এক নেতার দাবি, কয়েক বছর আগেও এই এলাকায় ধসের পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় ইসিএল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে ছাই দিয়ে জায়গাটি ভরাট করা হয়। কিন্তু স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ। তাঁর অভিযোগ, বারবার জানানোর পরেও যদি একই জায়গায় ফের ধস নামে, তাহলে এর দায় এড়াতে পারে না ইসিএল।

স্থানীয় বাসিন্দা রাজেশ কুমার সিংয়ের কথায়, 'আজ যেভাবে হঠাৎ ধস নেমেছে, সেই সময় যদি কেউ ওই জায়গায় থাকতেন, তাহলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত।' বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, ইসিএল কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি।

তবে পুরো অভিযোগই উড়িয়ে দিয়েছে ইসিএল। ইসিএল আধিকারিক তারকেশ্বর সিংহের দাবি, বর্ষাকালে খনি এলাকায় ধসের ঘটনা নতুন কিছু নয়। যে জায়গায় ধস হয়েছে, সেখানে বহু পুরনো একটি পরিত্যক্ত খনি ছিল। সেটি ছাই, বন ও মাটি দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, এলাকার বেশ কিছু মানুষ ওই পরিত্যক্ত খনির আশপাশে অবৈধভাবে বাড়িঘর তৈরি করে নিজেরাই বিপদ ডেকে আনছেন। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে ইসিএল। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ধস কবলিত এলাকা মাটি দিয়ে ভরাট করা হবে। পাশাপাশি বিপজ্জনক এলাকায় যাতে কেউ ঢুকতে না পারেন, সেজন্য দেওয়া হবে ব্যারিকেড।

কিন্তু এখানেই উঠছে আসল প্রশ্ন - মাটি দিয়ে গর্ত ভরাট আর ব্যারিকেড দিলেই কি স্থায়ীভাবে মিটবে ধসের আতঙ্ক? কারণ এই এলাকায় শুধু সাধারণ মানুষই নন, ইসিএলের একাধিক কর্মীও বসবাস করেন। ফলে আজ ভোরের এই ধস বড় বিপদের বার্তা দিল কি না, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে মণ্ডলপাড়ায়। বৃষ্টি বাড়লে কি ফের ধস নামবে? নাকি এবার হবে স্থায়ী সমাধান? উত্তর খুঁজছে অন্ডালের আতঙ্কিত মানুষ।

Author : সন্দীপ সরকার

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: ABP Ananda