Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
চাদরে পা আটকে রাস্তায় পড়ে আহত চিতাবাঘ, ঘিরে থাকা মানুষের কোলাহলে রেগে গেল হিংস্র চতুষ্পদ! তার পর...

চাদরে পা আটকে রাস্তায় পড়ে আহত চিতাবাঘ, ঘিরে থাকা মানুষের কোলাহলে রেগে গেল হিংস্র চতুষ্পদ! তার পর...

ঙ্গলের মাঝের ব্যস্ত রাস্তা। লেগে রয়েছে গাড়ির আনাগোনা। তার মাঝে পড়ে রয়েছে একটি চিতাবাঘ। রাস্তার মাঝে চাদরে আটকে পড়েছে হিংস্র চতুষ্পদ। চেষ্টা করেও সেখান থেকে নিজেকে বার করতে পারছে না সে। আশপাশে মানুষের ঢল জমেছে। তাঁদের চিৎকার চিতাবাঘটিকে আরও তিতিবিরক্ত করে তুলছে। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।

যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে তা-ও সেই ভিডিয়ো থেকে জানতে পারা যায়নি।

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, অন্ধকার রাস্তা। দু'পাশে বিস্তৃত সবুজ জঙ্গল। সেই জঙ্গলের মাঝের রাস্তা দিয়ে ছুটে চলেছে একের পর এক গাড়ি। কিছু গাড়ি দাঁড়িয়েও রয়েছে। তাদের আলোতে অন্ধকার রাস্তায় আলোর রশ্মি দেখা যাচ্ছে। রাস্তার ধার ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বেশ কিছু তরুণ। তাঁদের কোলাহলও কানে ভেসে আসছে। জঙ্গলের মাঝে থাকা রাতের রাস্তায় ভিড়ের কারণ একটি অসহায় চিতাবাঘ। হিংস্র চতুষ্পদটি রাস্তার মাঝে পড়ে থাকা চাদরে আটকে গিয়েছে। হয়তো কোনও গাড়িতে ধাক্কাও খেয়েছে। সে আর নড়তে পারছে না। কিন্তু চেষ্টা করে চলেছে মানুষের ভিড়ের মাঝ থেকে জঙ্গলে চলে যাওয়ার। তাকে দেখতেই রাস্তায় নেমেছে মানুষের ঢল। তাঁদের আওয়াজে বিরক্ত হচ্ছে চিতাবাঘটি। চারপেয়ে মাঝেমধ্যে দাঁত-মুখ খিচিয়ে তেড়েও যাচ্ছে তাঁদের দিকে। কিন্তু চাদরে পা আটকে যাওয়ায় আর বেশি দূর যেতে পারছে না সে। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।

'দিব্যা গান্দোত্রা ট্যান্ডন' নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৯ হাজার বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। প্রচুর নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন। আহত বাঘটিকে ঘিরে লোকজনের দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়টির তীব্র নিন্দা করেছেন নেটাগরিকেরা। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ''মানুষের ভিড় আহত বাঘটিকে ভয় পাইয়ে দিচ্ছে।।''

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: AnandaBazar Patrika