Thursday, 16 Sep, 8.57 pm anm NEWS- সবার আগে

হোম
শত শত গ্রাহকের প্রায় ৮'শ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডি গ্রেফতার

হাবিবুর রহমান, ঢাকা : ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী
কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে (প্রতিষ্ঠানটির
চেয়ারম্যান) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
তাদেরকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে র‌্যাব সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শত শত গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৮শ' কোটি টাকা
আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে গত বুধবার রাতে ইভ্যালির চেয়ারম্যান
শামীমা নাসরিন ও এমডি রাসেলের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের ৮'শ কোটি টাকা
আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা করেন ইভ্যালির গ্রাহক আরিফ বাকের।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের
বাসায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) অভিযান চালিয়ে ইভ্যালির
চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও এমডি মো. রাসেলকে গ্রেফতার করে। তাদের
গ্রেফতার করে র‌্যাবের সাদা গাড়িতে করে র‌্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
ইভ্যালির গ্রাহক আরিফ বাকেরের মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত বুধবার
রাতে ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও এমডি রাসেলের স্ত্রী বিরুদ্ধে
৮'শ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা করা হয়। মামলার
নম্বর হচ্ছে ১৯। ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে বাদী আরিফ বাকের
চলতি বছরের মে ও জুন মাসে কিছু পণ্য অর্ডার করেন। তিনি পণ্যের অর্ডার
বাবদ মূল্য বিকাশ, নগদ ও সিটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে ৩ লাখ ১০ হাজার
৫৯৭ টাকা পরিশোধ করেন। পণ্যগুলো ৭ থেকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে ডেলিভারি ও
নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সরবরাহে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠানটি সমপরিমাণ টাকা
ফেরত দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ওই সময়সীমার মধ্যে পণ্যগুলো
ডেলিভারি না পাওয়ায় বহুবার ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধিকে ফোন করা
হয়। সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ করে অর্ডার করা পণ্যগুলো পাওয়ার
চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন বাদী ও তার বন্ধুরা।
এক পর্যায়ে পণ্য প্রদান ও টাকা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার পর ৯ সেপ্টেম্বর
ইভ্যালির ধানমন্ডির অফিসে যান বাদী। ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেলের
সঙ্গে কথা বলতে চাইলে সেখানকার কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে চিত্‍কার-চেঁচামেচি
করেন। একপর্যায়ে অফিসের অভ্যন্তরে থাকা ইভ্যালির এমডি রাসেল উত্তেজিত হয়ে
তার রুম থেকে বেরিয়ে এসে বাদীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং তাদের অর্ডারের
পণ্য অথবা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তাকে ভয়ভীতি ও হুমকিসহ দুর্ব্যবহার
করেন, ফলে তিনি চরম আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে দিনযাপন করছেন এবং পণ্যগুলো বুঝে না
পাওয়ায় আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
নানা অনিয়মের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে ইভ্যালি। এর মধ্যে গত
২৫ আগস্ট ইভ্যালির এমডি ও চেয়ারম্যানের সব ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হিসাব চায়
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এরপর গত ১৪
সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে এক সভায় ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এ
সংক্রান্ত কমিটি। সেই সুপারিশের পর অভিযানে গিয়ে র‌্যাব দুজনকে গ্রেফতার
করেছে।
মামলার বাদী আরিফ বাকের বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে
থানা থেকে জানানো হয় আমার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি হয়েছে। তবে
মামলার কপি আমি এখনও হাতে পাইনি। আর মামলাটি ঠিক কখন হয়েছে এ বিষয়ে পুলিশ
আমাকে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। মামলার এজাহারে রাসেল ও তার স্ত্রীর
বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় অপরাধের কথা বলা হয়েছে। ফৌজদারি দণ্ডবিধির ধারাগুলো
হচ্ছে-৪২০, ৫০৬ ও ৪০৬। দণ্ডবিধির ৪২০ নম্বর ধারাটিতে প্রতারণা করে
সম্পত্তি বা অর্থ হাতিয়ে নেয়ার কথা বলা হয়েছে। এ অপরাধে একজন ব্যক্তির
সাত বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। ৪০৬ নম্বর ধারায়
'বিশ্বাসঘাতকতা'র অপরাধে সর্বোচ্চ তিন বছর জেল, অর্থ জরিমানা ও উভয়
দণ্ডের বিধান রয়েছে। ৫০৬ নম্বর ধারায় ভিক্টিমকে 'হত্যা বা আঘাত করার
ভয়ভীতি' দেখানোর অপরাধের কথা বলা হয়েছে। এ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি সাত
বছর নির্ধারণ করা আছে। মামলায় বাদী উল্লেখ্য করেন, ইভ্যালি পণ্য বিক্রির
নামে নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তার মতো অসংখ্য গ্রাহকের প্রায় ৮০০ কোটি
টাকা আত্মসাত্‍ করেছে।
এদিকে গত মঙ্গলবার ইভ্যালির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের
নেতৃত্বাধীন আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি। এদিন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে
সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডবি¬উটিও সেলের
মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, যেহেতু আইন লঙ্ঘন হয়েছে, তাই
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দায়িত্ব না নিয়ে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
হাতে দেবে। তার আগে কমিটির সুপারিশ বাণিজ্যমন্ত্রী ও বাণিজ্য সচিবকে
জানানো হবে। হাফিজুর রহমান আরো বলেন, ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের তথ্য
বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চাওয়া হয়েছিল। একটি পাওয়া গেছে। বাকিগুলোর তথ্যও
আসবে। বৈঠকে ধামাকা, ই-অরেঞ্জ ইত্যাদির কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে গত সপ্তাহে সম্পদ ও দায়ের হিসাব দাখিল করে ইভ্যালি।
সেখানে উল্লেখ করা হয়, তাদের মোট দায় ৫৪৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে এক কোটি
টাকা শেয়ারহোল্ডার হিসেবে কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও
ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেল কোম্পানিকে দিয়েছেন। বাকি ৫৪৩ কোটি
টাকাই কোম্পানিটির চলতি দায়। ইভ্যালির হিসাব অনুযায়ী, দায়ের বিপরীতে এর
চলতি সম্পদ রয়েছে ৯০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর সম্পত্তি, স্থাপনা ও
যন্ত্রপাতি মিলিয়ে রয়েছে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। মোট ১০৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার
এ দুটির যোগফলকে দেখানো হচ্ছে স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে। মোট দায় ৫৪৩ কোটি
টাকা থেকে ওই অঙ্ক বাদ দিলে বাকি থাকে ৪৩৮ কোটি টাকা। যাকে ইভ্যালি বলছে
তার অস্থাবর সম্পত্তি। বিবরণী মেলাতে ইভ্যালি দেখিয়েছে, অস্থাবর সম্পত্তি
৪৩৮ কোটি টাকার মধ্যে ৪২৩ কোটি টাকা হচ্ছে ইভ্যালির ব্র্যান্ড মূল্য, আর
১৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা হচ্ছে অদৃশ্যমান সম্পত্তি। কোম্পানিটি নিজের
ব্র্যান্ড মূল্য নিজেই নির্ধারণ করেছে। শুধু গ্রাহকদের কাছে ইভ্যালির
দেনার পরিমাণ ৩১১ কোটি টাকা। এ দেনা আছে মোট ২ লাখ ৭ হাজার ৭৪১ গ্রাহকের
বিপরীতে। এ হিসাব গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত।
ইভ্যালির গ্রাহকরা জানায়, আমার টাকার কী হবে, কার কাছে যাব? এতদিন তো
ভেবেছি, টাকা দেবে। গ্রেফতার না হলে রাসেলের বাসায় অথবা অফিসে যোগাযোগ
করা যেতো। কিন্তু এখন কার কাছে যাব। টাকা না পেলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে
যাবে।
শুধু তিনিই নন, তার মতো হাজারো গ্রাহকের কথায় এমনই উত্‍কণ্ঠা আর প্রশ্ন।
এদিকে রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের
অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করে আগামী ২১ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের
নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার মামলার এজাহার আদালতে পৌঁছালে
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এজাহার গ্রহণ করে এই আদেশ
দেন। আদালতের সংশ্লি¬ষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে এ তথ্য জানা
গেছে।
অপরদিকে ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জের কারণে যারা প্রতারিত হয়েছেন, সরকারকে তাদের
টাকা ফেরত দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। গতকাল
সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। রুমিন ফারহানা
বলেন, সরকারের গাফিলতির কারণে ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জের মতো প্রতিষ্ঠান
ব্যবসার নামে প্রতারণা করে হাজার কোটি টাকা লুট করেছে। যারা টাকা দিয়ে
প্রতারিত হয়েছেন, সরকারকে তাদের টাকা ফিরিয়ে দিতে হবে। পরে সরকার সেসব
প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা আদায় করবে। তিনি বলেন, ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জ ব্যবসা
শুরু করার সময়ই বোঝা গিয়েছিল তারা প্রতারণা করবে। তারা অর্ধেক দামে পণ্য
বিক্রির অফার দিয়েছিল। অনেক মানুষ বিনিয়োগ করেছে। এখন হাজার কোটি টাকা
নিয়ে তারা আর পণ্য দিচ্ছে না। শুধু মানুষকে দোষ দিলে হবে না।
প্রতিষ্ঠানগুলো গোপনে ব্যবসা করেনি।
ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তার স্ত্রী
শামীমা নাসরিনকে (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) গ্রেফতার করায় গ্রাহকদের
মাঝে পণ্য কেনার জন্য প্রতিষ্ঠানটিতে দেয়া টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে শঙ্কা
দেখা দিয়েছে। গ্রাহকদের দাবি, টাকা যেন ফেরত পান তারা। প্রয়োজনে রাসেলকে
আরও সময় দেয়া হোক। নইলে আইনি জটিলতায় টাকা ফেরত নাও পেতে পারেন তারা।
মোহাম্মদপুরের নিলয় কমপ্রিহেনসিভ হোল্ডিংয়ের বাসায় (হাউজ ৫/৫এ, স্যার
সৈয়দ রোড) অভিযান চালিয়ে রাসেল দম্পতিকে গ্রেফতার হয়। অভিযানের সংবাদ
শুনেই রাসেলের বাসার সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন গ্রাহকরা। এরপর তারা
সেøাগানও দিতে থাকেন। 'রাসেল ভাইয়ের কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে'-এমন
সব সেø¬াগান দিয়ে রাসেলকে নিয়ে যেতে বাধা দেন তারা। অনেকে কান্নায় ভেঙে
পড়ছেন। উপস্থিত এক গ্রাহক কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমি তিন লাখ টাকার চেক
পেয়েছি। এখন রাসেলকে গ্রেফতার করা হলো। এখন আমার টাকার কী হবে। আমরা তো
এতদিন আশায় ছিলাম যে, টাকা ফেরত পাব। কিন্তু তিনি যদি কারাগারে থাকেন,
তাহলে তো আর টাকা ফেরত নাও পাওয়া যেতে পারে। এখন কী করব, কোথায় যাব?
অপরদিকে, আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু
করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। গ্রাহকের শত শত কোটি টাকা নিয়ে কি করেছে
তা খুঁজে বের করতে দুই সদস্যের কমিটিও গঠন করেছে দুদক। বাণিজ্য
মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে ইভ্যালীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়, দুদক, ভোক্তা অধিকার ও প্রতিযোগিতা কমিশনে চিঠি দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রাহকের অর্থ উদ্ধারে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে।
পণ্য কিনলেই বিশাল মূল্যছাড়। কখনো কখনো পণ্যের দামের চেয়েও বেশি মূল্যছাড়
দিতে দেখা যায় আলোচিত-সমালোচিত ইকমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালীকে। বড় অংকের
মূল্যছাড় পেয়ে বুঝে কিংবা না বুঝে গ্রাহকরা কেনাকাটা করে ইভ্যালী থেকে।
তবে পণ্য পেতে ভোগান্তি নিয়ে অভিযোগের পাহাড় জমতে থাকে ইভ্যালীর
বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে আসে ইভ্যালীর কর্মকান্ড। তাতে দায়
দেনার হিসেব মেলাতে গিয়ে বড় গড়মিল পায় কেন্দ্রিয় ব্যাংক। বাণিজ্য
মন্ত্রণালয়ে দেয়া তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইভ্যালীর সম্পদ রয়েছে ৬৫ কোটি
টাকার। যার বিপরীতে দেনার পরিমান ৪০৭ কোটি টাকা। সবমিলে গ্রাহকের কাছ
থেকে অগ্রিম নেয়া ৩৩৮ কোটি টাকার কোন হদিস পায়নি কেন্দ্রিয় ব্যাংক।
এমন প্রতিবেদনে নড়ে চড়ে বসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। অল্প সময়ে তৈরি করে
ই-কমার্স নীতিমালা। আর ইভ্যালীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেয়া হয়
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুদক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ
প্রতিযোগীতা কমিশনে। এরই প্রেক্ষিতে দুই সদস্যের তদন্ত টিম তৈরি করেছে



আরও খবরঃ

https://anmnews.in/Home/GetNewsDetails?p=30167

Share on Facebook
Share on Whatsapp Share on Tweet

Dailyhunt
Disclaimer: This story is auto-aggregated by a computer program and has not been created or edited by Dailyhunt. Publisher: ANM News
Top