Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
AC Cost: এসি চালিয়েও বিল আসবে অর্ধেক! ১টা ভেজা তোয়ালেই করবে ম্যাজিক, বিস্তারিত জানুন

AC Cost: এসি চালিয়েও বিল আসবে অর্ধেক! ১টা ভেজা তোয়ালেই করবে ম্যাজিক, বিস্তারিত জানুন

AC Cost: গরম পড়তেই ৩৮ ডিগ্রি। সাথে ৮৫% আর্দ্রতা। এসি ১৬-তে দিয়েও শান্তি নেই, শুধু বিদ্যুৎ পোড়ে। BEE অর্থাৎ ব্যুরো অফ এনার্জি এফিশিয়েন্সির মতে, এসির আসল শত্রু তাপ নয়, হিউমিডিটি। ঘরের বাতাস থেকে জল টেনে শুকনো করতেই এসি ৪০ মিনিট সময় নেয়। তারপর ঠান্ডা করা শুরু করে। এই সময়টাতেই বিল ওঠে লাফিয়ে।

*ভেজা তোয়ালে কীভাবে কাজ করে? বিজ্ঞানটা কী?*

এটা ইভাপোরেটিভ কুলিং বা বাষ্পীভবনের বিজ্ঞান। ভেজা তোয়ালে থেকে জল যখন বাষ্প হয়ে উড়ে যায়, তখন ঘরের তাপ টেনে নেয়। ফলে ঘরের তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি এমনিই কমে যায়। একই সাথে বাতাসের আর্দ্রতাও কমে। এসি চালানোর পর ঘর আগে থেকেই ঠান্ডা ও শুকনো থাকলে কম্প্রেসারকে কম কাজ করতে হয়। কম্প্রেসার ১০ মিনিট চলার বদলে ৬ মিনিট চলেই ঘর ঠান্ডা রাখে। আর কম্প্রেসারই ৯০% বিদ্যুৎ খায়।

*সঠিক কৌশল: ৩টি ধাপে ব্যবহার করুন*

*১. এসি চালানোর ১০ মিনিট আগে:* একটা বড় সুতির তোয়ালে বা গামছা ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে নিন। ভালো করে চিপে জল ঝরিয়ে নিন যাতে টপটপ করে জল না পড়ে। এবার তোয়ালেটা এসি নেই এমন ঘরে, বা পাখার নীচে একটা চেয়ারের উপর মেলে দিন। টেবিল ফ্যান থাকলে তার সামনে ঝুলিয়ে দিন। ফ্যানের হাওয়ায় জল বাষ্প হবে আর ঘরের গরম টানবে। এসি চালানোর সময় তোয়ালে সরিয়ে ফেলুন।

*২. এসি চলাকালীন ভুলেও নয়:* অনেকে ভেজা তোয়ালে এসির ইনডোর ইউনিটের উপর বা সামনে রাখেন। এটা মারাত্মক ভুল। জলীয় বাষ্প সরাসরি এসিতে ঢুকলে PCB সার্কিট শর্ট হয়ে যেতে পারে। ফিল্টার জ্যাম হবে, কুলিং কয়েলে ফাঙ্গাস জমবে। সার্ভিসিং খরচ ৩ হাজার টাকা গ্যারান্টি। তাই এসি চলাকালীন ঘরে ভেজা তোয়ালে রাখবেন না।

*৩. রাতে ঘুমানোর সময়:* রাতে একটা ছোট ভেজা তোয়ালে জানালার রডে বা দরজার পিছনে মেলে দিন। সারা রাত ধীরে ধীরে ঘর ঠান্ডা রাখবে। ফলে এসি ২৪ ডিগ্রিতে দিলেও ২২ ডিগ্রির ফিল দেবে। BEE বলছে, এসির তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি বাড়ালে ৬% বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। ২৪-এর বদলে ২৬-এ চালিয়ে এই টোটকা ব্যবহার করলে মাসে ৭০০-৮০০ টাকা বাঁচবেই।

*আরও ৫টা টোটকা যা বিল কমাবে ৫০%:*

১. *টেম্পারেচার ২৪-২৬ রাখুন:* ১৬-১৮-তে দিলে ঘর তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয় না, শুধু কম্প্রেসার ননস্টপ চলে। মানুষের শরীরের জন্য ২৪-২৬ ডিগ্রিই আদর্শ।

২. *ফ্যান চালান এসির সাথে:* এসির সাথে সিলিং ফ্যান লো-তে চালান। ঠান্ডা হাওয়া গোটা ঘরে ছড়াবে, ২৭ ডিগ্রিতেও আরাম লাগবে।

৩. *দরজা-জানালার ফাঁক বন্ধ:* দরজার নীচে তোয়ালে গুঁজে দিন। জানালায় মোটা পর্দা দিন। ঠান্ডা হাওয়া বেরোলে কম্প্রেসার বারবার চলবে।

৪. *মাসে ১ বার ফিল্টার পরিষ্কার:* নোংরা ফিল্টার ১৫% বেশি বিদ্যুৎ টানে। ইনডোর ইউনিটের ঢাকনা খুলে ফিল্টার বার করে জলে ধুয়ে শুকিয়ে নিন।

৫. *ডাইরেক্ট সূর্যের আলো আটকান:* দিনের বেলায় পশ্চিমের জানালায় সানফিল্ম বা মোটা পর্দা দিন। ঘর গরম কম হবে।

*যা একদম করবেন না:* এসি চালিয়ে দরজা খোলা রাখা, বারবার তাপমাত্রা কমানো-বাড়ানো, আউটডোর ইউনিট রোদে রাখা, ৮-১০ বছরের পুরনো নন-ইনভার্টার এসি ব্যবহার করা। ৫ স্টার ইনভার্টার এসি ৪০% পর্যন্ত বিল কমায়।

*বিদ্যুৎ দফতরের হিসেব:* ১.৫ টন ৫ স্টার এসি ২৪ ডিগ্রিতে দিনে ৮ ঘণ্টা চললে মাসে খরচ হয় ১৮০০ টাকা। আর ২০ ডিগ্রিতে চালালে খরচ ২৮০০ টাকা। সাথে ভেজা তোয়ালের টোটকা যোগ করলে ১৮০০ টাকা নেমে আসবে ১৩০০-১৪০০ টাকায়।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে,

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Asianet Bangla