ভোটের আগেই শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের DA মেটাতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। বকেয়া ডিএ-র হিসেব করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাছে কর্মীদের তথ্য চেয়েছে উচ্চ শিক্ষা দপ্তর। এই তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে শীঘ্রই কর্মী ও পেনশনভোগীদের প্রাপ্য টাকার পরিমাণ চূড়ান্ত করা হবে।

ভোটের আগেই ডিএ মেটাতে বড় উদ্যোগ নিল মমতা সরকার।
সদ্য রাজ্যের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের কীভাবে মহার্ঘভাতা বা ডিএ দেওয়া হবে তা নিয়ে হয়েছে আলোচনা। অর্থ দফতরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয় বলে জানা গিয়েছে। সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার হিসেব নিকেশ নিয়ে হয় বৈঠক। এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল নবান্ন।

জানা গিয়েছে, সোমবার উচ্চ শিক্ষা দপ্তর তরফে রাজ্যের সব সরকার পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। এবার ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসেব হবে। কর্মীরা প্রতি মাসে কত টাকা ডিএ এবং ডিআর পেতেন তার হিসেব চূড়ান্ত করা হবে।

জানা গিয়েছে, এই সংক্রান্ত সকল তথ্য সংগ্রহ করে একটি ডাটাবেল তৈরি করা হবে। এরপর তথ্য সার্টিফাই করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক কর্মচারী বা পেনশনভোগীর পরিচিতি তালিকা ও চাকরি বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।

এইভাবে চলছে প্রক্রিয়া। শীঘ্রই জানান যাবে কর্মী ও পেনশনভোগীরা প্রতি মাসে কত টাকা ডিএ এবং ডিআর পাবেন।
সদ্য এই নিয়ে বিশেষ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী, শিক্ষক শিক্ষিকা এবং অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থারকর্মীরাও ডিএ পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, সরকার অনুমোদিত স্বশাসিত সংস্থা এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোও ডিএ পাবেন বলে ঘোষণা করেন।

