নতুন বাড়ি করতে গেলে ইট, রড, সিমেন্টের সঙ্গ বালিও প্রয়োজন। তবে দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গে বালি পাচারের অভিযোগ রয়েছে। সরকারের পালাবদল হতেই পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হল। বাঁকুড়ায় ট্রাক্টর পিছু বালির দাম বেঁধে দেওয়া হল।

নতুন বাড়ি করতে গেলে ইট, রড, সিমেন্টের সঙ্গ বালিও প্রয়োজন। তবে দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গে বালি পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
সরকারের পালাবদল হতেই পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হল। বাঁকুড়ায় ট্রাক্টর পিছু বালির দাম বেঁধে দেওয়া হল। খাদান মালিক, প্রশাসনের আধিকারিক ও বিধায়করা আলোচনা করে ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এক ট্রাক্টর বালির জন্য ঘাটে ১২০০টাকা নেওয়া হবে। তবে বহন খরচ আলাদা। এরফলে আবাস যোজনার উপভোক্তারা উপকৃত হবেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত।

বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা বলেন, খাদানে এক ট্রাক্টর বালি ১২০০টাকায় পাওয়া যাবে। বালির দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা জেলা প্রশাসন ও ভূমি দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলাম। খাদান মালিকরাও এব্যাপারে রাজি হয়েছেন। পাশাপাশি ডাম্পার পিছু বালির দাম অন্তত ১০হাজার টাকা কমানোর জন্য প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে।

আগে ঘাট থেকে বালিভরতি ট্রাক বা ডাম্পার বের হলেই একাধিক জায়গায় সিন্ডিকেটের লোকজনকে টাকা দিতে হত। ফলে ব্যবসায়ীরা বালির দাম বাড়াতে বাধ্য হতেন।

একটা সময় এক ট্রাক্টর বালির দর বাঁকুড়ায় ৫-৬ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। তারফলে চরম সমস্যায় পড়েছিলেন অনেকে। বালি কিনতেই পকেট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছিল। যার কারণে বাড়ি তৈরির খরচ কয়েক লক্ষ টাকা বেড়ে গিয়েছিল। বালি কিনতে না পেরে অনেকেই বাড়ি নির্মাণ মাঝপথেই বন্ধ করে দেন।

দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠকে বাঁকুড়ার সোনামুখীর উদাহরণ টেনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আট হাজার টাকার বালি ১৬ হাজারে বিক্রি হচ্ছে। অবৈধ ঘাট বন্ধের সুযোগ নিয়ে একটি চক্র সাধারণ মানুষের কাছে বিজেপি সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। প্রয়োজনে বালির দাম বেঁধে দেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।

