Dailyhunt
Beer Price Hike: গরমের মধ্যেই বিয়ারের দাম বাড়তে পারে, বোতলে কত টাকা?

Beer Price Hike: গরমের মধ্যেই বিয়ারের দাম বাড়তে পারে, বোতলে কত টাকা?

উৎপাদন মূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে দাম বাড়তে পারে বিয়ারের (Beer)। বিয়ার উৎপাদনকারীরা ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপের কথা উল্লেখ করে বিয়ারের দাম বাড়ানোর দাবি জানাতে পারে সরকারের কাছে। কাঁচামালের খরচ ক্রমাগত তীব্র হারে বাড়তে থাকায় 'ব্রিউয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া' (BAI) বিভিন্ন রাজ্য সরকারের কাছে চিঠি পাঠানো শুরু করবে।

চিঠিতে তারা বিয়ারের দাম বাড়ানোর অথবা উৎপাদন শুল্কে কিছুটা ছাড় পাওয়ার আবেদন জানাবে। শিল্প সংস্থার তথ্য মতে, সামগ্রিক উৎপাদন ব্যয় বা 'ইনপুট কস্ট' প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিয়ার উৎপাদনকারীদের মুনাফার হারকে (মার্জিন) সংকুচিত করে তুলেছে। মূল কাঁচামাল এবং প্যাকেজিং উপকরণগুলোর দাম বেডেছে। কাঁচের দাম বেড়েছে ২০ শতাংশ, আর গ্যাসের সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়ায় কাঁচামাল সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।

কাগজের কার্টনের দাম ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং PE ও LDPE-এর মতো প্লাস্টিক সামগ্রীর দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে, যা উৎপাদনকারীদের আর্থিক বোঝা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এছাড়া পণ্য পরিবহন ও লজিস্টিকস বাবদ খরচও ১০ শতাংশ বেড়ে গেছে। সব মিলিয়ে উৎপাদন খরচ ১০ থেকে ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, BAI সম্ভবত প্রতি কেস বিয়ারের দাম প্রায় ২০ টাকা বাড়ানোর জন্য দাবি জানাবে। যদি দাম বাড়ানোর অনুমোদন না মেলে তবে ক্রমবর্ধমান ব্যয় সামাল দিতে এই শিল্প সংস্থাটি উৎপাদন শুল্ক কমিয়ে আনার মাধ্যমে আর্থিক স্বস্তিরও আবেদন জানাবে।

ভারতে বিয়ারের দাম রাজ্য পর্যায়ে নিয়ন্ত্রিত হয়

বিয়ারের দাম কত হবে তা ঠিক করে রাজ্যগুলি। তাই দামের যে কোনও পরিবর্তনের জন্য বিয়ার উৎপাদনকারীদের সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের দ্বারস্থ হতে হয়। এমন এক সময়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হল যখন বিয়ারের চাহিদা মোটামুটি স্থিতিশীল থাকা সত্ত্বেও এই শিল্পটি ক্রমাগত মূল্যস্ফীতি এবং সরবরাহের ক্ষেত্রে নানামুখী চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে চলেছে।

মদের দামও বাড়তে পারে

অন্যদিকে, মূল্যবৃদ্ধির চাপের কথা উল্লেখ করে ভারতের মদ্য উৎপাদনকারীরা বিভিন্ন রাজ্য সরকারের কাছে 'ইন্ডিয়ান মেড ফরেন লিকার' (IMFL)-এর দাম পুনর্বিবেচনা করার আর্জি জানিয়েছেন। 'কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান অ্যালকোহলিক বেভারেজ কোম্পানিজ' জানিয়েছে যে, টাকার মান কমে যাওয়া এবং সেই সঙ্গে মোড়কজাতকরণের উপকরণ, জ্বালানি ও পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ার ফলে এই শিল্পখাতটি বর্তমানে তীব্র চাপের মুখে পড়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Asianet Bangla