Dailyhunt
Beetroot Benefits: কাঁচা খাবেন না সেদ্ধ? বিট খেলে শরীরে যা ঘটে, জানলে অবাক হবেন!

Beetroot Benefits: কাঁচা খাবেন না সেদ্ধ? বিট খেলে শরীরে যা ঘটে, জানলে অবাক হবেন!

বিট কাঁচা খেলে ভালো, নাকি সেদ্ধ করে? কিডনিতে পাথর এড়াতে আর সম্পূর্ণ পুষ্টি পেতে কোনটা সেরা উপায়? রোজ বিট খেলে আপনার শরীরে কী ম্যাজিক হতে পারে, জানেন?

Beetroot Benefits: বিটকে বলা যেতে পারে সুপারফুডের রাজা। এতে থাকা নাইট্রেট, বেটালাইনস, ফোলেট আর ভিটামিন সি হার্ট, হজমশক্তি আর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দারুণ উপকারী।

গত বছর বিট শটের ট্রেন্ড তো দেখেছেনই। কিন্তু প্রশ্ন হল, বিট কাঁচা খাওয়া ভালো নাকি সেদ্ধ করে? কেউ বলেন কাঁচা খেলেই সব পুষ্টিগুণ মেলে, আবার কেউ কিডনিতে পাথর হওয়ার ভয় দেখান। চলুন, বিজ্ঞান কী বলছে জেনে নেওয়া যাক।

 ১০০ গ্রাম কাঁচা বিটে থাকে ৪৩ ক্যালোরি, ২.৮ গ্রাম ফাইবার, ভিটামিন সি, ফোলেট আর পটাশিয়াম। অন্যদিকে, সেদ্ধ বিটে থাকে ৪৪ ক্যালোরি, কিন্তু গরমে ভিটামিন সি আর বেটালাইনসের পরিমাণ কিছুটা কমে যায়।

কারণ এই পুষ্টি উপাদানগুলো তাপ সহ্য করতে পারে না। তবে পটাশিয়াম আর ফোলেট সেদ্ধ করার পরেও প্রায় একই থাকে।
 অনেকেই স্যালাড বা জুসের মাধ্যমে কাঁচা বিট খেতে পছন্দ করেন। এভাবে খেলে শরীরে নাইট্রেট ভরপুর মাত্রায় পৌঁছায়। এই নাইট্রেট শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডে পরিণত হয়ে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং ব্লাড প্রেশার কমায়।

একটি গবেষণা বলছে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের রোগীরা ৮ সপ্তাহ ধরে কাঁচা বিট খেলে ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং লিভারের এনজাইম উন্নত হয়। তবে, কাঁচা বিটে অক্সালেটের পরিমাণ বেশি থাকে, যা কিডনিতে পাথর জমার কারণ হতে পারে। এছাড়া এটি হজম করাও কিছুটা কঠিন।
 বিট সেদ্ধ করলে এর মধ্যে থাকা ফাইবার নরম হয়ে যায়। ফলে এটি সহজে হজম হয়।

সেদ্ধ করার প্রক্রিয়ায় অক্সালেটের পরিমাণও কমে যায়। তাই যাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার ভয় আছে, তাদের জন্য এটি সেরা বিকল্প। সেদ্ধ বিট খেলে গ্যাস বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা হয় না। উপরন্তু, এটি খেতেও বেশ মিষ্টি আর নরম, খুবই সুস্বাদু।

ভিটামিন সি কিছুটা কমলেও, শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজগুলো ভালোভাবে পাওয়া যায়।
 আপনার যদি ভরপুর এনার্জি আর ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন হয়, তাহলে স্যালাড বা স্মুদিতে কাঁচা বিট কুরিয়ে মিশিয়ে নিন। আর যদি কিডনির সমস্যা থাকে বা পেটের গোলমাল হয়, তাহলে সেদ্ধ করে তরকারি বা রায়তায় মিশিয়ে খান। বিট খাওয়ার পর ইউরিনের রঙ লাল হলে ভয় পাবেন না, এটা খুবই স্বাভাবিক। তবে একবারে অনেকটা না খেয়ে, অল্প অল্প করে খাওয়া শুরু করুন।
 সেদ্ধ বিটের স্যালাড: একটি বিট সেদ্ধ করে টুকরো করে কাটুন। তার মধ্যে আখরোট, শসা, সেদ্ধ গাজর আর পেঁয়াজের টুকরো মেশান।

ড্রেসিংয়ের জন্য অলিভ অয়েল, নুন, গোলমরিচের গুঁড়ো, লেবুর রস, সামান্য মধু আর রসুন মিশিয়ে নিলেই তৈরি স্বাস্থ্যকর স্যালাড। কাঁচা বিটের স্যালাড: কাঁচা বিট কুরিয়ে বা টুকরো করে নিন। এর সঙ্গে ডালিমের দানা, ভাজা চিনাবাদাম, আপেলের টুকরো মেশান। সামান্য চাট মশলা আর নুন ছড়িয়ে, উপরে একটু চিজ দিয়ে দিলে স্বাদ মুখে লেগে থাকবে।
Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Asianet Bangla