DIY Besan Rice Face Wash: বেসন আর চালের গুঁড়ো দিয়ে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন প্রাকৃতিক ফেসওয়াশ। জেনে নিন এর উপকারিতা এবং ব্যবহারের সঠিক উপায়। কোন ধরনের ত্বকের জন্য কেমন ফেসওয়াশ দরকার, রইল স্কিন কেয়ার টিপস।
মহিলারা মুখের জেল্লা বাড়াতে আর সুন্দর দেখতে লাগার জন্য কত কিছুই না করেন।
মহিলারা মুখের জেল্লা বাড়াতে আর সুন্দর দেখতে লাগার জন্য কত কিছুই না করেন।
চালের গুঁড়োর উপকারিতা চালের গুঁড়ো মরা চামড়া বা ডেড স্কিন সরাতে সাহায্য করে, যার ফলে মুখ পরিষ্কার ও উজ্জ্বল দেখায়। এই ফেসওয়াশটি হালকা স্ক্রাবের কাজও করে। আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয়, তাহলে এই ফেসওয়াশ আপনার কাজ সহজ করে দেবে।

বাড়িতে DIY ফেসওয়াশ কীভাবে বানাবেন? এর জন্য আপনাকে বিশেষ কিছুই করতে হবে না। একটি এয়ারটাইট কৌটোয় ২ চামচ বেসনের সঙ্গে চালের গুঁড়ো মেশান। এবার এটি ভালোভাবে মিশিয়ে কৌটোর মুখ বন্ধ করে রেখে দিন। খেয়াল রাখবেন, এর মধ্যে যেন কোনও আর্দ্রতা বা नमी না থাকে, নাহলে এটি নষ্ট হয়ে যাবে। প্রতিদিন সকালে সাধারণ জল বা গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান এবং দুই-তিন মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
ফেসওয়াশের পর স্কিন কেয়ার জরুরি মুখের জেল্লা ফেরাতে শুধু ফেসওয়াশের ভূমিকা থাকে না। এটি মুখের ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে ঠিকই, কিন্তু মুখকে হাইড্রেটেড রাখতে আপনাকে অবশ্যই ময়শ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।
সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন মুখের জন্য কোন ফেসওয়াশ সবচেয়ে ভালো? সবচেয়ে ভালো ফেসওয়াশ আপনার ত্বকের ধরনের ওপর নির্ভর করে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য স্যালিসিলিক অ্যাসিড, শুষ্ক ত্বকের জন্য সেরামাইড-যুক্ত মাইল্ড ফেসওয়াশ এবং সংবেদনশীল ত্বকের জন্য সালফেট-ফ্রি ফেসওয়াশ বেছে নিতে পারেন। দাগ-ছোপ দূর করতে কোন ফেসওয়াশ ব্যবহার করা উচিত? মুখের দাগ এবং ছোপ দূর করার জন্য এমন ফেসওয়াশ বেছে নিন, যাতে নিয়াসিনামাইড, ভিটামিন সি, গ্লাইকোলিক অ্যাসিড বা স্যালিসিলিক অ্যাসিডের মতো উপাদান রয়েছে। এগুলো দাগ হালকা করতে পারে, কিন্তু ভালো ফলাফলের জন্য ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফেসওয়াশ কি ব্রণের দাগ দূর করতে পারে? উত্তর হল না। ফেসওয়াশ ব্রণের দাগ পুরোপুরি দূর করে না, বরং নতুন ব্রণ হওয়ার ঝুঁকি কমায়। দাগ দূর করার জন্য রেটিনল, অ্যাজেলেইক অ্যাসিড, ভিটামিন সি-র মতো অ্যাক্টিভ সিরাম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে এগুলো ব্যবহারের আগে অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন, নাহলে ত্বকের অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে।
