Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
India-Myanmar Border: মায়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা মেটানোর উদ্যোগ, আলোচনায় সরকার

India-Myanmar Border: মায়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা মেটানোর উদ্যোগ, আলোচনায় সরকার

Ministry of External Affairs: ভারত ও মায়ানমারের (India-Myanmar Border) মধ্যে ভূখণ্ড বিনিময় নিয়ে আলোচনা চলছে। মণিপুর (Manipur) সংলগ্ন দীর্ঘদিন ধরে চিহ্নিত না হওয়া সীমান্ত অঞ্চল নিয়ে বিরোধ মেটানোর লক্ষ্যেই ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে আলোচনা চলছে। সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (Randhir Jaiswal) জানিয়েছেন, 'সীমান্তে এমন কিছু অঞ্চল রয়েছে, যেগুলির নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।

ওই সেক্টরগুলি নিয়ে আলোচনা চলছে।' মণিপুর সীমান্তে মায়ানমারের সঙ্গে সম্ভাব্য ভূখণ্ড বিনিময়ের বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। যদিও তিনি সরাসরি এই ধরনের প্রতিবেদনের সত্যতা নিশ্চিত করেননি। তবে তিনি সীমান্তের অমীমাংসিত অংশগুলির সমাধানের জন্য আলোচনা চলার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

ভারত-মায়ানমারের আলোচনা

বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রর এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন কয়েক সপ্তাহ আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (USA) এক পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মায়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা মেটানোর উদ্যোগ নিচ্ছে ভারত। সরকারি নথি উদ্ধৃত করে বলা হয়, মণিপুর-মায়ানমার সীমান্তে ৬৫ নম্বর থেকে ৬৮ নম্বর সীমান্ত স্তম্ভের মধ্যবর্তী অংশের সীমারেখা চূড়ান্ত করতে প্রায় ১.৪ বর্গমাইল ভূখণ্ড বিনিময়ের একটি প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে ভারত। ৬৫ এবং ৬৮ নম্বর সীমান্ত স্তম্ভের মধ্যবর্তী অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ২.৮ কিলোমিটার। প্রস্তাবিত ভূখণ্ডটি মণিপুরের চান্দেল জেলার অন্তর্গত এবং এটি মায়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের কাবাও উপত্যকার সংলগ্ন অঞ্চলে অবস্থিত।

ভারত-মায়ানমারের মধ্যে দীর্ঘ সীমান্ত

ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে মোট ১,৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্ত অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও মিজোরামের মধ্য দিয়ে মায়ানমারের সাগাইং অঞ্চল এবং চিন রাজ্যে প্রবেশ করেছে। সীমান্তের বড় অংশই পাহাড়ি, বনাঞ্চলপূর্ণ এবং তুলনামূলকভাবে অরক্ষিত। এই সীমান্তের দুই পাশেই ঐতিহাসিকভাবে একই জাতিগত জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তের প্রায় ১,৪৭২ কিলোমিটার অংশ সীমান্ত স্তম্ভের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এখনও প্রায় ১৭১ কিলোমিটার সীমান্তের চূড়ান্ত নির্ধারণ বাকি রয়েছে, যার বেশিরভাগই অরুণাচল প্রদেশের লোহিত সেক্টর এবং মণিপুরের কাবাও উপত্যকা অঞ্চলে। ভূখণ্ড বিনিময়ের মূল উদ্দেশ্য হল ভারত-মায়ানমার সীমান্তের অমীমাংসিত অংশের দ্রুত সীমারেখা নির্ধারণ করা। এর ফলে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে, যা অনুপ্রবেশ, জঙ্গিগোষ্ঠীর চলাচল এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে ভারতের প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে,

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Asianet Bangla