ITR Filling News: বার্ষিক আয় কতর নীচে হলে আয়কর দেওয়া লাগে না? অথবা নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক লেনদেনের শর্ত পূরণ হলেও দিতে হয় আয়কর। কী সেগুলি? বিস্তারিত জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…

আয়কর হলো সরকারকে প্রদান করা কোনও ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক কর। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ বা লেনদেন সম্পন্ন হলে সরকারকে এই কর দিতে হয়।
কারণ, আপনার ব্যবসা, চাকরি বা অন্য কোনও ক্ষেত্রে উপার্জনের কিছু অংশ কর হিসেবে আইন অনুযায়ী সরকারকে দিতে হয় প্রতিবছর। চাকরি থেকে পাওয়া বেতন, ব্যবসা বা পেশার লাভ, বাড়ি ভাড়া থেকে আসা টাকা, ব্যাংক জমার সুদ, জমি বা শেয়ার বিক্রির লাভ এসবই আয়ের আওতাভুক্ত।

সরকারি হিসেব অনুযায়ী যাদের বার্ষিক উপার্জন ৪ লক্ষ টাকার কম বা নীচে তাদের আয়কর দিতে হয় না। তবে সবসময় বিষয়টি একইরকম থাকে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে চারলক্ষ টাকার কম উপার্জন হলেও বেশকিছু শর্ত বা লেনদেন পূরণ হলেই দিতে হয় আয়কর জমা। কারণ, সরকার প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ পর্যন্ত আয়কর ছাড় দেয়।

ভারতের আয়কর আইন অনুযায়ী, আয় করমুক্ত হলেও কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বার্ষিক লেনদেন এককোটির বেশি হয়। কিংবা সেভিংস অ্যাকাউন্টে ৫০ লাখ টাকার বেশি অর্থ জমা হলেও সরকারকে কর দিতে হয়। এক্ষেত্রে আইটিআর (ITR) ফাইল করা বাধ্যতামূলক।

ভারতীয় নাগরিক হিসেবে কোনও ব্যক্তির বিদেশ ভ্রমণে ২ লাখ টাকার বেশি খরচ হয় তাহলে সেক্ষেত্রেও তাকে আইটিআর ফাইল করতে হবে। এছাড়াও কোনও ব্যক্তির প্রতিষ্ঠান বা বাড়িতে বছরে একলক্ষ টাকার বেশি বিদ্যুতের বিল আসলে আইটিআর ফাইল করা বাধ্যতামূলক বলছে সরকার।

উপার্জন কম হলেও আইটিআর বাধ্যতামূলক হিসেবে রয়েছে বেশকিছু ক্ষেত্রে। যেমন- বেতন থেকে কাটা টিডিএস-এর টাকা রিটার্ন পেতে। নিজের সরকারি নথি সংরক্ষণ করতে। এবং কোনও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের লাভ-লস বা মূলধনের ক্ষতির হিসেব রাখতেও আইটিআর ফাইল করা বাধ্যতামূলক হিসেবেই ধরা হয়।

আয়কর আইন অনুযায়ী কোনও ব্যক্তি যদি তার মূলধন থেকে সরকারকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কর প্রদান না করে তাহলে বেশকিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। কোনও ব্যক্তি যদি সরকারকে কর ফাঁকি দেয় তাহলে- Section 234F অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫,০০০ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। মোট আয় ৫ লাখ পর্যন্ত হলে জরিমানা ১,০০০-এ সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। এছাড়াও টিডিএসের টাকা পেতে সমস্যা বা ওই ব্যক্তি ব্যবসা বা মূলধনী ক্ষতি ভবিষ্যতে সমন্বয়ের সুবিধা হারাতে পারেন। এবং হোমলোন, ভিসার আবেদন (বেশকিছু ক্ষেত্রে), শিক্ষা লোন পেতে গেলে সমস্যায় পড়তে পারেন।

