Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Krishna Janmashtami: বাড়ির দরজায় কেন আঁকা হয় ছোট্ট কৃষ্ণের পায়ের ছাপ? জানুন আসল কারণ

Krishna Janmashtami: বাড়ির দরজায় কেন আঁকা হয় ছোট্ট কৃষ্ণের পায়ের ছাপ? জানুন আসল কারণ

কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর দিন বাড়ির দরজায় ছোট্ট কৃষ্ণের পায়ের ছাপ আঁকা হয় কেন? কানহার সবচেয়ে প্রিয় খাবার কোনগুলি? এই প্রতিবেদনে আমরা সেই সব খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই আলোচনা করব।ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিনটিকে স্মরণ করার জন্যই জন্মাষ্টমী উৎসব পালন করা হয়। এই বছর ৪ঠা সেপ্টেম্বর, শুক্রবার দেশজুড়ে জাঁকজমকের সঙ্গে এই উৎসব পালিত হবে।
তামিল ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আবাণী মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে রোহিণী নক্ষত্র যোগে কৃষ্ণ জয়ন্তী পালিত হয়। জন্মাষ্টমীর দিন বাড়ির মূল দরজা থেকে পূজার ঘর পর্যন্ত ছোট্ট কৃষ্ণের পায়ের ছাপ আঁকা হয়। বহু পরিবারে এই সুন্দর প্রথাটি চলে আসছে। বিশ্বাস করা হয়, এর মাধ্যমে স্বয়ং বালগোপাল বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং তাঁর আশীর্বাদ পাওয়া যায়। সাধারণত চালের গুঁড়ো দিয়ে এই পদচিহ্ন আঁকা হয়। মনে করা হয়, এইভাবে কৃষ্ণকে ঘরে স্বাগত জানালে পরিবারে সুখ ও শান্তি বজায় থাকে। ননী চুরি করে দৌড়ে বেড়ানো, দুষ্টুমি আর খেলায় মেতে থাকা বালগোপালের শৈশবকে মনে করার জন্যই তাঁর ছোট ছোট পায়ের ছাপ আঁকা হয়। এই পদচিহ্নগুলি কৃষ্ণের সেই শিশুসুলভ রূপকেই তুলে ধরে।

১. ছোটবেলা থেকেই কৃষ্ণের সবচেয়ে প্রিয় খাবার হল মাখন। গোকুলে তাঁর ননী চুরি করে খাওয়ার গল্প আজও ভক্তদের মুখে মুখে ফেরে।

২. কৃষ্ণের ছোটবেলার বন্ধু কুচেলার (সুদামা) তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় ভালোবেসে চিঁড়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। কৃষ্ণ সেই চিঁড়ে খুব আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করেন। তাই চিঁড়েও তাঁর খুব প্রিয় একটি ভোগ।

৩. কৃষ্ণের জীবন গোকুলের সঙ্গে জড়িত, তাই দই, মাখন, ঘি এবং পালকোভার মতো দুধের তৈরি সব খাবারই তাঁর পছন্দের।

৪. তামিলনাড়ুর বাড়িগুলিতে জন্মাষ্টমী মানেই উপ্পু সিডাই, ভেল্লা সিডাই (নোনতা ও মিষ্টি স্বাদের চালের গুঁড়োর ভাজা), মুরুক্কু, আপ্পম, মাখন এবং মিছরির মতো ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরি করে কৃষ্ণকে ভোগ দেওয়া হয়।

 জন্মাষ্টমীর দিন বাড়ির শিশুদের কৃষ্ণ সাজানোর প্রথাটি বহু যুগ ধরে চলে আসছে। বাচ্চাদের কৃষ্ণ বা রাধার মতো সাজিয়ে, মাথায় ময়ূরের পালক, হাতে বাঁশি আর গলায় মালা পরিয়ে ছোট্ট গোপালের রূপ দেওয়া হয়। এটি কেবল একটি সাজ নয়, এর মাধ্যমে শিশুদের আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক বিষয়ের সঙ্গে পরিচয় করানো হয়। পরিবারের সবাই মিলে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার এটি একটি সুন্দর ঐতিহ্য।
Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Asianet Bangla