Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Platelet Count: রক্তে প্লেটলেট কমেছে? এই ৮টি খাবারেই বাড়বে হুড়মুড়িয়ে

Platelet Count: রক্তে প্লেটলেট কমেছে? এই ৮টি খাবারেই বাড়বে হুড়মুড়িয়ে

রীরে কোথাও কেটে গেলে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে প্লেটলেট। ডেঙ্গি, অ্যানিমিয়ার মতো কিছু অসুখে প্লেটলেটের সংখ্যা কমে যায়। কিছু খাবার আছে যা প্লেটলেট বাড়াতে সাহায্য করে।শরীরে কোথাও কেটে গেলে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে প্লেটলেট। এর ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। ডেঙ্গি, অ্যানিমিয়া বা ক্যানসারের মতো কিছু অসুখে প্লেটলেটের সংখ্যা কমে যেতে পারে।
চলুন দেখে নিই, কোন কোন খাবার রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে। পেঁপে পাতার রস প্লেটলেট কাউন্ট বাড়াতে দারুণ কার্যকর। এর মধ্যে থাকা প্যাপেইন ও কাইমোপ্যাপেইনের মতো উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। এই এনজাইমগুলো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টেও ভরপুর, যা শরীরের প্রদাহ কমায় এবং প্লেটলেট পুনরুৎপাদনে সাহায্য করে। ডালিমে রয়েছে আয়রন, ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যা রক্তের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে আয়রন অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করে।

প্লেটলেট কমে গেলে অ্যানিমিয়া হওয়া খুব সাধারণ। ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার সময় এই ফল শরীরে শক্তি জোগায়।
 পালং শাকের মতো গাঢ় সবুজ রঙের শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে থাকে। রক্ত জমাট বাঁধা এবং প্লেটলেট তৈরির জন্য এই ভিটামিন অপরিহার্য। এছাড়া এই সবজিগুলোতে খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও ভরপুর, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। কুমড়োতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এই ভিটামিন কোষের বৃদ্ধি ও পুনর্গঠনে সাহায্য করে, যা প্লেটলেট উৎপাদনে সহায়ক।

এর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গুণাবলী আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও শক্তিশালী করে তোলে।
 ডাবের জলে পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইট থাকে। এই উপাদানগুলি শরীরকে ডিহাইড্রেশন বা জলশূন্য হওয়া থেকে বাঁচায় এবং সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং প্লেটলেট উৎপাদনকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কোষ পুনর্গঠনেও দারুণ সহায়ক। বিট হল প্রাকৃতিক আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের একটি চমৎকার উৎস। এটি রক্তে প্লেটলেটের মাত্রা বাড়াতে এবং শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। রক্তকণিকা উৎপাদনে সাহায্য করার মাধ্যমে এটি ক্লান্তি দূর করে এবং ডেঙ্গু থেকে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরা প্রদাহ কমাতে এবং ক্ষত সারাতে দারুণ কাজ করে। এটি প্লেটলেট উৎপাদনে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করার মাধ্যমে এটি ডেঙ্গুর সময় দ্রুত আরোগ্য লাভে সাহায্য করতে পারে।
Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Asianet Bangla