Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Russia-Ukraine War: এক রাতে ৬৫০-র বেশি ড্রোন, ৭৩ ক্ষেপণাস্ত্র! ইউক্রেনে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় হামলায় হত ১৭

Russia-Ukraine War: এক রাতে ৬৫০-র বেশি ড্রোন, ৭৩ ক্ষেপণাস্ত্র! ইউক্রেনে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় হামলায় হত ১৭

Russia-Ukraine War: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অন্যতম ভয়াবহ রাত। একসঙ্গে ৬৫০টিরও বেশি ড্রোন এবং ৭৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক হামলা চালাল রাশিয়া। ইউক্রেনের দাবি, যুদ্ধ শুরুর পর এক রাতে এত বড় আকারের সমন্বিত আকাশপথে হামলা খুব কমই দেখা গিয়েছে। এই হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে ৮টি জিরকন (Zircon) হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রও।

এক রাতে এত সংখ্যক জিরকন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। শব্দের গতির বহু গুণ বেশি গতিতে ছুটতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করা অত্যন্ত কঠিন।

৩ বছরের শিশু সহ হত ১৭

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ-সহ একাধিক শহর হামলার নিশানায় ছিল। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির খবর এসেছে ডিনিপ্রো শহর থেকে। সেখানে একটি 24 তলার আবাসিক বহুতলে সরাসরি আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্র। ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে এক ৮ বছরের শিশুর। প্রাণ হারিয়েছে ৩ বছরের আরও এক শিশুও। ইউক্রেনীয় প্রশাসনের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, হামলায় অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ১০০-রও বেশি। মৃত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিভিন্ন শহরে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন জরুরি পরিষেবার কর্মীরা।

সাধারণ মানুষের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

ডিনিপ্রোতে একাধিক আবাসিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু পরিবার ঘরছাড়া হয়েছে। রাতভর বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্কে কাটে কিয়েভ-সহ বিভিন্ন শহরের বাসিন্দাদের। হামলার পর বহু জায়গায় আগুন লেগে যায় এবং উদ্ধারকর্মীদের একাধিক স্থানে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এত বিপুল সংখ্যক ড্রোনের সঙ্গে উন্নত হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার রাশিয়ার কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এর ফলে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপরও ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে।

চলছে ধ্বংসস্তুপ সরানোর কাজ

ইউক্রেন সরকার এখনও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করেনি। বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুদ্ধের তিন বছরেরও বেশি সময় পরেও যে সংঘাতের তীব্রতা একটুও কমেনি, এই এক রাতের হামলাই তার বড় প্রমাণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Asianet Bangla