Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Sachin Tendulkar: টি২০-তে তিনটি বড় বদলের ডাক সচিনের, IPL-এ ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম বাতিলে সরব

Sachin Tendulkar: টি২০-তে তিনটি বড় বদলের ডাক সচিনের, IPL-এ ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম বাতিলে সরব

Sachin Tendulkar: গাদা গাদা রান, ঝুরি ঝুরি সেঞ্চুরি, বলে বলে ছক্কা, রোজ রোজ ২০০ প্লাস রান। এবারের আইপিএল যেন ব্যাটারদের স্বর্গরাজ্য। আইপিএল সহ আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাটারদের একপেশে আধিপত্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর। মাস্টার ব্লাস্টারের মতে, বর্তমান আইপিএল ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাট এবং বলের মধ্যে ভারসাম্য অনেকটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

সেই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছেন 'মাস্টার ব্লাস্টার'। সচিন স্পষ্ট জানান, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় করে তুলতে হলে কিছু নিয়ম পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন সচিনের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শতটি শতরানের মালিক সচিনের সবচেয়ে বড় আপত্তি আইপিএলের 'ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার' নিয়ম নিয়ে। ২০২৩ সালে চালু হওয়া এই নিয়মের ফলে ম্যাচের যে কোনও সময় একজন বদলি ক্রিকেটার নামানো যায়। সচিনের মতে, এই নিয়ম কার্যত দলগুলিকে অতিরিক্ত একজন ব্যাটার খেলানোর সুযোগ করে দিচ্ছে, যা বোলারদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তুলছে। মাস্টার ব্লাস্টারের বক্তব্য, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একটি দল ইতিমধ্যেই ২০ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পায়। তার উপর অতিরিক্ত ব্যাটারের সুবিধা যোগ হলে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য আরও বেশি ব্যাটারদের দিকে ঝুঁকে যায়। পাশাপাশি এই নিয়ম অলরাউন্ডারদের গুরুত্বও কমিয়ে দিয়েছে বলে মনে করেন তিনি। কারণ, দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে ঝুঁকি নেওয়া এবং কৌশলগত পরিকল্পনার অনেকটাই গুরুত্ব হারিয়েছে।

বোলিং পাওয়ারপ্লে চালুর প্রস্তাব

শুধু ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম বাতিলের কথা বলেই থেমে থাকেননি সচিন। তিনি বোলারদের জন্য বিশেষ 'বোলিং পাওয়ারপ্লে' চালুর প্রস্তাবও দিয়েছেন। বর্তমানে ইনিংসের প্রথম ছয় ওভার ব্যাটিং পাওয়ারপ্লে হিসেবে ধরা হয়, যেখানে ৩০ গজ বৃত্তের বাইরে মাত্র দু'জন ফিল্ডার রাখা যায়। সচিনের প্রস্তাব, প্রথম চার ওভার আগের মতোই ব্যাটিং পাওয়ারপ্লে হিসেবে থাকুক। কিন্তু বাকি দু'ওভারকে 'বোলিং পাওয়ারপ্লে' হিসেবে রাখা হোক। ইনিংসের যে কোনও সময় ফিল্ডিং দলের অধিনায়ক এই দুই ওভার ব্যবহার করতে পারবেন। এতে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বোলারদের হাতে অতিরিক্ত কৌশলগত অস্ত্র থাকবে বলে মনে করেন তিনি।

টি-২০-তে একজন বোলারকে সর্বোচ্চ ৫ ওভার বলের প্রস্তাব

এছাড়াও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একজন বোলারকে পাঁচ ওভার বল করার অনুমতি দেওয়ার পক্ষেও মত দিয়েছেন সচিন। বর্তমানে কোনও বোলার সর্বাধিক চার ওভার বল করতে পারেন। সচিনের যুক্তি, যদি একজন ব্যাটার পুরো ২০ ওভার ক্রিজে থাকতে পারেন, তাহলে দলের সেরা বোলার কেন অতিরিক্ত একটি ওভার বল করার সুযোগ পাবেন না? তাঁর কথায়, ম্যাচের সেরা বোলারকে আরও বেশি সময় আক্রমণে রাখা গেলে খেলার প্রতিযোগিতামূলক দিক আরও বাড়বে। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেখানে এক-একজন স্ট্রাইক বোলার ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন, সেখানে তাঁদের প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ থাকা উচিত।

বোলারদের হয়ে ব্যাট ধরলেন অলরাউন্ডার সচিন

আইপিএল ২০২৬ মরসুমে একের পর এক ব্যাটিং রেকর্ড তৈরি হয়েছে। বিশাল স্কোর, অসংখ্য ছক্কা এবং দ্রুতগতির রান তোলার প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয়েছে। সচিনের মতে, ছোট মাঠ, ব্যাটিং-বান্ধব পিচ এবং ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম-এই তিনটি কারণ বোলারদের কাজকে অত্যন্ত কঠিন করে তুলেছে। তবে তিনি এও স্পষ্ট করেছেন যে এগুলি তাঁর ব্যক্তিগত মতামত। ক্রিকেটকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও আকর্ষণীয় করে তোলার লক্ষ্যে তিনি এই প্রস্তাবগুলি রেখেছেন। ইতিমধ্যেই সচিনের এই 'উইশলিস্ট' ক্রিকেট মহলে জোর বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞ এবং প্রাক্তন ক্রিকেটারও দীর্ঘদিন ধরে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Asianet Bangla