Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
২১ আগস্ট পর্যন্ত ভাঙা যাবে না আমতলার কার্যালয়! হাইকোর্টের নির্দেশে স্বস্তিতে অভিষেক

২১ আগস্ট পর্যন্ত ভাঙা যাবে না আমতলার কার্যালয়! হাইকোর্টের নির্দেশে স্বস্তিতে অভিষেক

Bangla Jago TV 3 days ago

AK Bangla Desk: আমতলার দলীয় কার্যালয় ভাঙার মামলায় ফের সাময়িক স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্ট ওই কার্যালয় ভাঙার উপর জারি থাকা অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়েছে। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানিয়েছেন, ১৮ আগস্ট দুপুর ২টোয় মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

বৈধ নকশা ও প্রয়োজনীয় নথি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে—এই অভিযোগে সম্প্রতি আমতলার ওই কার্যালয় ভাঙার কাজ শুরু করে প্রশাসন। ঘটনাস্থলে তিনটি বুলডোজার নামানো হয় এবং ভবনের একাংশ ভেঙেও ফেলা হয়। এরপরই প্রশাসনের পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে জরুরি ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা 'লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস'।

প্রাথমিক শুনানিতে আদালত ভাঙার কাজের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছিল। সেই নির্দেশের মেয়াদ ছিল ৬ আগস্ট পর্যন্ত। বুধবার মামলাটি ফের শুনানির জন্য উঠলে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে ২১ আগস্ট পর্যন্ত করেন। আমতলার ওই কার্যালয়কে ঘিরে আগে থেকেই একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। জেলা প্রশাসনের তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিসও পাঠানো হয়। প্রশাসনের দাবি, যে জমিতে কার্যালয়টি তৈরি হয়েছে, সেটি 'লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস'-এর নামে কেনা হয়েছিল এবং নথিতে অভিষেকের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। পরপর দু'টি নোটিসে সন্তোষজনক সাড়া না মেলায় ভবন ভাঙার কাজ শুরু করা হয় বলে প্রশাসন সূত্রের দাবি। তবে শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা 'লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস'-এর তরফে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। তাঁর বক্তব্য, যে অংশটি ভাঙা হয়েছে সেটি সংস্থার মালিকানাধীন নয়।

দাগ নম্বর উল্লেখ করে রাজ্যের তরফে আদালতে জানানো হয়, 'লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস'-এর জমি ৫০৯ ও ৫১২ নম্বর দাগে অবস্থিত। ওই অংশে কোনও ভাঙচুর চালানো হয়নি। প্রশাসন ৫০৭ নম্বর দাগের নির্মাণ ভেঙেছে। সেই যুক্তিতে স্থিতাবস্থার নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানায় রাজ্য। পালটা 'লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস'-এর আইনজীবী কিশোর দত্ত অভিযোগ করেন, সংস্থাকে ন্যূনতম নোটিসও দেওয়া হয়নি। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ কোন নথির ভিত্তিতে করা হয়েছে, সেই তথ্যও তাদের জানানো হয়নি। তাঁর দাবি, নিজেদের বক্তব্য জানানোর সুযোগ না দিয়েই তড়িঘড়ি কার্যালয় ভাঙার কাজ শুরু করা হয়েছিল। দু'পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর আপাতত ভাঙার কাজে স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছে আদালত। ফলে ২১ আগস্ট পর্যন্ত আমতলার ওই কার্যালয়ে কোনও রকম ভাঙচুর করা যাবে না। মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Bangla Jago TV