Dailyhunt
অস্তমিত মালদহের 'সূর্য'! প্রয়াত আবু হাসেম খান চৌধুরি

অস্তমিত মালদহের 'সূর্য'! প্রয়াত আবু হাসেম খান চৌধুরি

Bangla Jago TV 1 week ago

Bangla Jago Desk: মালদহের রাজনীতিতে এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান ঘটল। বুধবার রাতে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আবু হাসেম খান চৌধুরি, যিনি রাজনৈতিক মহলে 'ডালু' নামেই সমধিক পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাঁর এই প্রয়াণে কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়ল মালদহের কংগ্রেস এবং ঐতিহাসিক 'কোতোয়ালি ভবন'।

১৯৩৮ সালের ১২ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া ডালুবাবুর রাজনীতিতে হাতেখড়ি তাঁর দাদা তথা কিংবদন্তি নেতা গনি খান চৌধুরির হাত ধরে। দাদার মৃত্যুর পর কোতোয়ালি ভবনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সাফল্যের সঙ্গে বহন করেছিলেন তিনিই। ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কালিয়াচকের বিধায়ক এবং ২০০৯ সাল থেকে মালদহ দক্ষিণ কেন্দ্রের টানা সাংসদ ছিলেন তিনি। গত লোকসভা নির্বাচনে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি নিজে প্রার্থী না হলেও তাঁর পুত্র ইশা খান চৌধুরি ওই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন।

বৃহস্পতিবার ডালুবাবুর মরদেহ মালদহে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়েই কলকাতা থেকে মালদহ পৌঁছেছেন পুত্র তথা সাংসদ ইশা খান চৌধুরী। হাসপাতালে রাতেই পৌঁছেছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। ডালুবাবুর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে শুভঙ্করবাবু বলেন, 'বাংলার রাজনীতিতে এক অপূরণীয় ক্ষতি। মালদহের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর নাড়ির টান ছিল।'

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক মুখে ডালুবাবুর প্রয়াণ কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা হলেও, নির্বাচনি ময়দানে এর একটি 'সহানুভূতি'র প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে তাঁর ভাগ্নি মৌসম বেনজির নূর যখন মালতিপুর থেকে লড়াই করছেন, তখন ডালুবাবুর স্মৃতি ভোটারদের আবেগকে কতটা প্রভাবিত করে, সেটাই এখন দেখার।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Bangla Jago TV