Bangla Jago Desk: বারুইপুর-কাণ্ডে এনকাউন্টারে মৃত অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের ময়নাতদন্ত ঘিরে এবার বিশেষ পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্যদপ্তর। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নির্দেশিকা মেনে তিন সদস্যের বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ডে রয়েছেন তিনটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগের অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা।
প্রভাসের দেহ প্রথমে কাঁটাপুকুর মর্গে পাঠানো হয়েছিল। পরে দেহ আনা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। ময়নাতদন্তের আগে দেহের ডিজিটাল এক্স-রে করা হয়। কোথায় কোথায় গুলি লেগেছে এবং গুলির অবস্থান কী, তা নির্দিষ্টভাবে জানতেই এই এক্স-রে করা হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।
বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ডে রয়েছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর শাশ্বত বিশ্বাস, এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সায়ক শোভন দত্ত এবং ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের প্রফেসর অলোক মজুমদার। নিয়ম মেনে ময়নাতদন্তের সম্পূর্ণ ভিডিওগ্রাফি করা হবে। পাশাপাশি ন্যূনতম ২৫টি স্টিল ফটোগ্রাফ তোলাও বাধ্যতামূলক রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত রবিবার বারুইপুরে উদ্ধার হয় এক নাবালিকার দেহ। এই ঘটনায় প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয় প্রভাস মণ্ডলকে। মঙ্গলবার দিনভর তাকে জেরা করে পুলিশ। এরপর রাতে প্রায় পৌনে ১টা নাগাদ ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য প্রভাসকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুরে যায় সিটের সদস্যরা।
পুলিশ সূত্রে দাবি, পুনর্নিমাণের সময় হঠাৎই সিটের সদস্য রনি সরকারের কোমরে থাকা পিস্তল কেড়ে নেয় প্রভাস। এরপর সে এক রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে উঠলে আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালান বারুইপুর থানার গুন্ডাদমন শাখার দায়িত্বে থাকা অর্ঘ্য মণ্ডল। সেই গুলিতেই মৃত্যু হয় প্রভাস মণ্ডলের।

