উপকরণমাছ মেরিনেট করার জন্য
ভেটকি / বাসা মাছের ফিলে - ৬০০ গ্রাম
টক দই - ½ কাপ
আদা বাটা - ১ চামচ
রসুন বাটা - ১ চামচ
লেবুর রস - ২ চামচ
লাল লঙ্কা গুঁড়ো - ১ চামচ
গোলমরিচ গুঁড়ো - ১ চামচ
জিরা গুঁড়ো - ১ চামচ
ধনে গুঁড়ো - ১ চামচ
গরম মসলা - ½ চামচ
কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো - ১ চামচ
সর্ষের তেল - ২ চামচ
লবণ - স্বাদমতো
কাবাব তৈরির জন্য
ক্যাপসিকাম - ১ কাপ (চৌকো করে কাটা)
পেঁয়াজ - ১ কাপ (চৌকো করে কাটা)
টমেটো - ১ কাপ
মাখন - ২ চামচ
কাঠি বা স্কিউয়ার - প্রয়োজনমতো
বিস্তারিত প্রণালী
প্রথমে মাছের ফিলে ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে জল শুকিয়ে নিন। এরপর মাঝারি আকারের চৌকো টুকরো করে কাটুন।
এখন একটি বড় বাটিতে টক দই, আদা বাটা, রসুন বাটা, লেবুর রস, লাল লঙ্কা গুঁড়ো, গোলমরিচ, জিরা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, গরম মসলা, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো, সর্ষের তেল ও লবণ মিশিয়ে মেরিনেড তৈরি করুন।
মাছের টুকরোগুলো এই মেরিনেডে দিয়ে খুব আলতোভাবে মিশিয়ে নিন যাতে মাছ ভেঙে না যায়।
এরপর ঢেকে অন্তত ১-২ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। বেশি সময় মেরিনেট করলে মাছের ভিতরে মশলার স্বাদ আরও ভালোভাবে ঢুকে যায়।
এখন পেঁয়াজ, ক্যাপসিকাম ও টমেটো একই আকারে কেটে নিন যাতে স্কিউয়ারে গাঁথতে সুবিধা হয়।
যদি কাঠের স্কিউয়ার ব্যবহার করেন, তাহলে আগে ২০ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখুন। এতে গ্রিল করার সময় পুড়ে যাবে না।
এবার স্কিউয়ারে এক টুকরো মাছ, তারপর পেঁয়াজ, ক্যাপসিকাম ও টমেটো গেঁথে নিন। এভাবে সব স্কিউয়ার তৈরি করুন।
এখন একটি গ্রিল প্যান বা ওভেন প্রস্তুত করুন।
গ্রিল প্যান ব্যবহার করলে সামান্য মাখন বা তেল ব্রাশ করুন। এরপর মাঝারি আঁচে স্কিউয়ারগুলো রাখুন।
প্রতিটি পাশ ৪-৫ মিনিট করে গ্রিল করুন। মাঝে মাঝে মাখন ব্রাশ করুন যাতে কাবাব শুকিয়ে না যায়।
মাছের বাইরের অংশ হালকা পোড়া ও সোনালি রং হলে বুঝবেন কাবাব ঠিকভাবে রান্না হয়েছে।
ওভেনে করতে চাইলে ২০০° সেলসিয়াসে প্রিহিট করে ১৫-২০ মিনিট বেক করুন। মাঝে একবার উল্টে দিন।
গ্রিল করার সময় মাছ ও মশলার ধোঁয়াটে গন্ধ পুরো রান্নাঘরে ছড়িয়ে পড়বে, যা এই কাবাবের আসল আকর্ষণ।
আরও ধোঁয়াটে স্বাদের জন্য শেষে কয়লার ধোঁয়া দিতে পারেন। একটি ছোট কয়লা জ্বালিয়ে বাটিতে রেখে তার উপর সামান্য ঘি ঢেলে হাঁড়ি ঢেকে ২ মিনিট রাখুন।
রান্না শেষে কাবাবের উপর সামান্য লেবুর রস ছড়িয়ে দিন। এতে স্বাদ আরও সতেজ লাগবে।
️ পরিবেশন
গরম গরম ফিশ কাবাব পুদিনা চাটনি, কাসুন্দি বা টক দইয়ের ডিপের সঙ্গে পরিবেশন করুন। পাশে পেঁয়াজের রিং, সালাদ ও লেবুর টুকরো রাখলে স্বাদ আরও বেড়ে যায়। এটি পার্টি, বারবিকিউ বা সন্ধ্যার স্ন্যাক্স হিসেবে অসাধারণ জনপ্রিয় একটি পদ।

