বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিজেপি সরকার রাজ্যে আসার আগেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের প্রতিশ্রুতি দেয়। আর সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠন হওয়ার পর সেই অন্নপূর্ণা ভান্ডার দেওয়া শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকার। তবে এবার অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পে কাজ করতে নারাজ বসিরহাটের (Basirhat) বহু বিএলওরা।
বসিরহাটে অন্নপূর্ণা যোজনা ঘিরে জট, কাজে আপত্তি বিএলওদের (Basirhat)
বসিরহাটের (Basirhat) বিএলওদের দাবি এসআইআরের অভিজ্ঞতা থেকে তাঁরা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিল-আপের কাজ করতে শঙ্কিত। তাঁদের দাবি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ১২ পাতার ফর্ম ফিল-আপ করলেও বহু মহিলার নাম বাদ যাবে। আর সেক্ষেত্রে একই ভাবে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের শিকার হবেন তাঁরা।

একঘেয়ে রান্না নয়, চিংড়ি-পটলের নতুন পদে চমকে দিন পরিবারের সবাইকে, রইল রেসিপি
তাঁদের অভিযোগ, এসআইআরের সময়ও একই সমস্যা হয়েছিল। যাঁদের নাম বাদ পড়েছিল, তাঁদের যাবতীয় ক্ষোভ এসে পড়েছিল বিএলওদের ওপর। ফলে এবারও সেই একই আশঙ্কা করছেন তাঁরা। ফলে তাঁরা সেই কাজ আর করতে চাইছেন না।
তাদের দাবি, এই কাজ অনেক কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। ফলে স্কুলে তাঁরা সময় দিতে পারবেন না। এর জেরে পড়ুয়াদের পঠন-পাঠনে প্রচুর ক্ষতি হবে। তাই তাঁরা যে কাজের জন্য নিযুক্ত সেই শিক্ষকতার কাজেই ফিরতে চান।
এছাড়াও ১ জুন থেকে স্কুল খুলবে, তাঁরা চান স্কুলে ফিরতে। শুক্রবার দুপুরে বসিরহাট নিউ সার্কেল স্কুল পরিদর্শকের অফিসের সামনে শতাধিক স্কুল শিক্ষক, যাঁরা বিএলওর কাজ করেছিলেন তাঁরা এই দাবিতে বিক্ষোভ দেখান (Basirhat)।

