Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বছরে ১২ হাজার টাকা বৃত্তি! ন্যাশনাল মিনস কাম মেরিট স্কলারশিপের যোগ্যতা থেকে আবেদন পদ্ধতি জানুন

বছরে ১২ হাজার টাকা বৃত্তি! ন্যাশনাল মিনস কাম মেরিট স্কলারশিপের যোগ্যতা থেকে আবেদন পদ্ধতি জানুন

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পড়াশোনার পথে অনেক সময় বাধা হয়ে দাঁড়ায় অর্থের অভাব। সেই কারণে মাঝপথেই পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হন বহু পড়ুয়া। এই পরিস্থিতিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে বিভিন্ন সময় নানা স্কলারশিপ (Government Scholarship) চালু করেছে সরকার। এমনই একটি বৃত্তির নাম হল ন্যাশনাল মিনস কাম মেরিট স্কলারশিপ (National Means Cum Merit Scholarship)।

এই স্কলারশিপে আবেদনের যোগ্যতা কী, আবেদন কীভাবে করতে হয় জেনে নিন।

ন্যাশনাল মিনস কাম মেরিট স্কলারশিপের খুঁটিনাটি | (National Means Cum Merit Scholarship)

কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের স্কুল শিক্ষা ও স্বাক্ষরতা দফতরের অধীন পরিচালিত একটি প্রকল্প হল ন্যাশনাল মিনস কাম মেরিট স্কলারশিপ। ২০২৬-২৭ সালে এই বৃত্তিতে আবেদনের সময়সীমা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অবধি করে দেওয়া হয়েছে। ইচ্ছুক পড়ুয়াদের এই সময়ের মধ্যেই আবেদন করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

ন্যাশনাল মিনস কাম মেরিট স্কলারশিপের লক্ষ্য হল, দেশের দুঃস্থ পরিবারের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের অষ্টম শ্রেণির পর স্কুলছুট হওয়া আটকানো ও দ্বাদশ শ্রেণি অবধি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ায় উৎসাহ দেওয়া। সরকারি, সরকার পোষিত ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রীরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু শর্ত রয়েছে।

কেন্দ্রের ন্যাশনাল মিনস কাম মেরিট স্কলারশিপে আবেদন করতে হলে আবেদনকারী পড়ুয়ার অভিভাবকের বার্ষিক আয় ৩.৫০ লক্ষ টাকার মধ্যে হতে হবে। সেই সঙ্গেই সপ্তম শ্রেণির পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫৫ শতাংশ নম্বর বা সমতুল্য গ্রেড থাকতে হবে। তফশিলি জাতি ও উপজাতি শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে নম্বরের যোগ্যতায় ৫ শতাংশ ছাড় আছে।

প্রত্যেক বছর নবম শ্রেণির ১ লক্ষ ছাত্রছাত্রীকে কেন্দ্রের এই স্কলারশিপ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বা রাজ্যের বৃত্তি নির্বাচন পরীক্ষায় পাশ করলে এই বৃত্তি পাওয়া যায়। পাশাপাশি নবম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি অবধি ফলাফলের শর্তসাপেক্ষে এটি রিনিউ করা হয়। এই প্রকল্পের অধীন যোগ্য ছাত্রছাত্রীদের বছরে ১২ হাজার টাকা করে স্কলারশিপ দেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল স্কলারশিপ পোর্টালের মাধ্যমে ন্যাশনাল মিনস কাম মেরিট স্কলারশিপে আবেদন করা যায়। সেই আবেদন দু'টি স্তরে যাচাই করা হয়। প্রথমে ইনস্টিটিউট নোডাল অফিসার ও পরবর্তীতে জেলা নোডাল অফিসার এই যাচাই করেন।

অনেক দুঃস্থ পরিবারের মেধাবী ছাত্রছাত্রী অভাবের কারণে মাঝপথে পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হন। এই ধরণের পরিস্থিতি দূর করতে চালু করা হয়েছে ন্যাশনাল মেরিট কাম মিনস স্কলারশিপ। এই বৃত্তির মাধ্যমে বহু পরিবারের উপকার হয়েছে, তা আর আলাদা করে বলতে হয় না।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Banglahunt