Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ভবানীপুর মামলা ফের পিছোল, আদালতে 'নতুন ইতিহাস' গড়ার আবেদন কল্যাণের

ভবানীপুর মামলা ফের পিছোল, আদালতে 'নতুন ইতিহাস' গড়ার আবেদন কল্যাণের

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফলকে ঘিরে আইনি লড়াই আরও দীর্ঘ হতে চলেছে। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) মামলাটির শুনানি হলেও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায়নি। বরং আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য ছয় সপ্তাহ পরের দিন ধার্য করেছে।

একই সঙ্গে মামলার সমস্ত পক্ষকে নতুন করে নোটিস জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে বহুল আলোচিত এই নির্বাচন মামলার নিষ্পত্তির জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

ভবানীপুর মামলার শুনানিতে কী বলল হাইকোর্ট(Calcutta High Court)

মঙ্গলবার বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের এজলাসে মামলাটি উঠলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুনানির সময় শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়ার জন্য চার সপ্তাহ সময় চান। সেই আবেদনকে কেন্দ্র করেই আদালতে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তির দাবি তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

হাইকোর্টে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'পাঁচ বছরেও ইলেকশন পিটিশন মামলা শেষ হয় না। এটা কলকাতা হাইকোর্টের খারাপ ইতিহাস। নতুন ইতিহাস তৈরি করতে সাহায্য করুন।'এরপর নিজের দীর্ঘ আইনজীবী জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, '১৯৮১ সাল থেকে প্র্যাকটিস করছি, মাত্র একটি মামলায় পাঁচ বছর শেষ হওয়ার তিন মাস আগে নিষ্পত্তি হয়েছে এই আদালতে। এবার এই মামলায় একটা নজির গড়তে দয়া করে সাহায্য করুন।'

আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, চেষ্টা করছি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মামলার শুনানি শেষ না করে আদালত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নতুন করে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় এবং পরবর্তী শুনানির দিন ছয় সপ্তাহ পরে নির্ধারণ করে। প্রসঙ্গত, মামলার সূত্রপাত ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে। ভবানীপুর কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াইয়ে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফল অনুযায়ী, শুভেন্দু অধিকারী ১৫,১০৫ ভোটে জয়ী হয়ে, ওই কেন্দ্র থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ফলাফল ঘোষণার পরই তা আদালতে চ্যালেঞ্জ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদনে, ভোট গণনার প্রথম ১২ রাউন্ড পর্যন্ত তিনিই এগিয়ে ছিলেন। পরে হঠাৎ করেই ফলাফলের চিত্র বদলে যায়। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়, তৃণমূল কংগ্রেসের গণনা এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল, যার প্রভাব গণনা প্রক্রিয়ায় পড়ে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবারের শুনানির পর, নতুন নোটিস জারি এবং পরবর্তী শুনানির অপেক্ষার মধ্যেই ভবানীপুরের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে এই বহুচর্চিত মামলার দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক ও আইনি মহলের।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Banglahunt