Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বীরভূমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝির রহস্যমৃত্যু, বাড়ি থেকেই উদ্ধার দেহ

বীরভূমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝির রহস্যমৃত্যু, বাড়ি থেকেই উদ্ধার দেহ

বাংলা হান্ট ডেস্ক : বীরভূমের রামপুরহাটে মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ভাইজির দেহ অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কুসুম্বা গ্রামের বাড়ি থেকেই ৩১ বছরের বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের দেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে বিষয়টি। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ভাইজির অস্বাভাবিক মৃত্যু

পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, বৃষ্টি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই এবং রামপুরহাট-১ ব্লকের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি নিহার মুখোপাধ্যায়ের প্রথম পক্ষের মেয়ে। মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির ভিতরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে দেখতে পান পরিবারের লোকজন। এরপরই থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে জানান। বৃষ্টির দাম্পত্য জীবন নিয়েও পারিবারিক সূত্রে বেশ কিছু তথ্য সামনে এসেছে। তিনি বিবাহিত হলেও দীর্ঘদিন স্বামীর সঙ্গে থাকতেন না। পারিবারিক অশান্তির কারণে বেশ কয়েক বছর ধরে বাবার বাড়িতেই ছিলেন। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। তাঁর ১১ বছরের একটি সন্তান রয়েছে।

পরিবারের দাবি, এর আগেও নিজের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিলেন বৃষ্টি। হাত কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি তাঁর মানসিক অবস্থাও ভাল ছিল না বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মানসিক অবসাদের কারণেই তিনি চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

ঘটনার দিন সকালে চিকিৎসককে দেখানোর জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন বৃষ্টি। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পর তিনি আবার বাড়িতে ফিরে আসেন। বাড়ি ফিরে স্বাভাবিক ভাবেই খাবার খান। এরপর বাড়ির উপরের তলায় চলে যান। কিছুক্ষণ পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে সেখানে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরিবারের লোকজন দ্রুত তাঁকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

কীভাবে এবং কেন এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বৃষ্টি বোলপুরের একটি স্কুলে গ্রুপ-সি পদে তাঁর চাকরিরত ছিলেন। রাজ্যে যোগ্য-অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সময় চাকরি নিয়ে যখন বিস্তর আলোচনা চলছিল, তখন তিনি নিজের ইচ্ছায় আর কাজে যোগ দেননি বলে জানা গিয়েছে। বৃষ্টির মৃত্যু ঘিরে একাধিক প্রশ্ন সামনে এলেও এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। পুলিশ পারিবারিক পরিস্থিতি-সহ সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Banglahunt