বাংলাহান্ট ডেস্ক : যাত্রীদের সুবিধার্থে রেলওয়ে আইনে আনা হল বড় পরিবর্তন। যাত্রীদের নিরাপত্তা, সংরক্ষিত কামরায় অনধিকার প্রবেশ আটকাতে নিয়মে আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে রেলে (Indian Railways)। রেলওয়ে আইন ১৯৮৯ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারায় সংশোধন করা হয়েছে। রেলের এই নতুন নিয়মে টিকিট ছাড়া বা সংরক্ষিত কামরায় অনধিকার প্রবেশ, প্রতিবন্ধী ও মহিলা সংরক্ষিত আসন দখল এবং টিকিটের অবৈধ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে জরিমানা।
যাত্রী সুবিধার্থে বদলাচ্ছে রেলের (Indian Railways) আইন
নতুন সংশোধিত আইন অনুযায়ী, ধারা ১৩৭-এ টিকিট ছাড়া বা প্রতারণার মাধ্যমে ভ্রমণ করলে অভিযুক্ত যাত্রীকে ভাড়া এবং অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে। এই অতিরিক্ত চার্জের নূন্যতম পরিমাণ ৫০০ টাকা। এই অর্থ পরিশোধ করতে অস্বীকার করলে আদালতে পাঠানো হবে মামলা। আইনি জল আদালত পর্যন্ত গড়ালে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা দুটোই হতে পারে।

কী বলছেন সংশোধিত আইন: রেলের ধারা ১৫৫ অনুযায়ী, সংরক্ষিত কামরায় যদি অনধিকার প্রবেশ করা হয়, তবে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা এবং কোনও প্রকৃত যাত্রীর প্রবেশে বাধা দিলে জরিমানা হবে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা। যাত্রী যদি জরিমানা দিতে অস্বীকার করেন, তবে আদালত সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা জরিমানা করতে পারে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কামরা থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশও দিতে পারে আদালত।
সংরক্ষিত কামরায় প্রবেশে দণ্ড: ধারা ১৬২ তে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত কামরায় বা আসনে বেআইনি প্রবেশের ক্ষেত্রে জরিমানা আরও বাড়ানো হয়েছে। সর্বোচ্চ ২৫০০ টাকা করা হয়েছে জরিমানা (Indian Railways)। জরিমানা যদি না দেওয়া হয় তবে আদালত সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
এছাড়াও ১৪২ ধারা অনুযায়ী, টিকিটের অবৈধ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বাজেয়াপ্ত করা হবে টিকিট। তার পাশাপাশি ভাড়ার সমপরিমাণ অতিরিক্ত চার্জ সহ নূন্যতম ৫০০ টাকা আদায় করা হবে। অর্থ অনাদায়ে আদালত সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডই হতে পারে। ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, অনুমোদিত দূরত্বের বেশি টিকিট ছাড়া ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভাড়ার পার্থক্যের সঙ্গে দিতে হবে অতিরিক্ত চার্জ। তার নূন্যতম পরিমাণ ৫০০ টাকা। অর্থ অনাদায়ে আদালত ১০ দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারে।

