Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
শক্তিশালী GDP গ্রোথের মাঝে অর্থনীতির জন্য আরেকটি সুসংবাদ! সরকারের চিন্তা কমাল এই পরিসংখ্যান

শক্তিশালী GDP গ্রোথের মাঝে অর্থনীতির জন্য আরেকটি সুসংবাদ! সরকারের চিন্তা কমাল এই পরিসংখ্যান

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ৪ মাসে (গত জুলাই পর্যন্ত) ভারতের রাজস্ব ঘাটতি তথা ফিসকাল ডেফিসিট (Fiscal Deficit) দাঁড়িয়েছে ৪.৫৫ লক্ষ কোটি টাকায়। এটি বার্ষিক অনুমানের ২৬.৮ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২৯.৯ শতাংশ।

এটি রাজস্ব ঘাটতি হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়। গত সোমবার প্রকাশিত সরকারি তথ্যে (India) এই পরিসংখ্যান উপস্থাপিত করা হয়েছে। ফিসকাল ডেফিসিট হ্রাস পেয়ে বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার (৪.৫৫ লক্ষ কোটি টাকা) ২৬.৮ শতাংশে থাকা ভারতীয় অর্থনীতির (Indian Economy) আর্থিক শৃঙ্খলা এবং শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়। গত সোমবার ভারতের GDP পরিসংখ্যানও প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে GDP বৃদ্ধি ছিল ৭.৮ শতাংশ। এটি অর্থনীতিবিদদের অনুমানের চেয়েও বেশি।

শক্তিশালী GDP গ্রোথের মাঝে অর্থনীতির জন্য আরেকটি সুসংবাদ (Fiscal Deficit):

ব্যয় ও প্রাপ্তির মধ্যে ব্যবধান: ফিসকাল ডেফিসিটের প্রসঙ্গে গত সোমবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মোট প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩.০৭ লক্ষ কোটি টাকা। অপরদিকে, এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত মোট ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১৭.৬২ লক্ষ কোটি টাকা। এগুলি হল চলতি অর্থবর্ষের বাজেট লক্ষ্যমাত্রার যথাক্রমে ৩৫.৮ শতাংশ এবং ৩২.৯ শতাংশ
গত বছরের একই সময়ে মোট প্রাপ্তি অনুমানের ৩১.৩ শতাংশ ছিল। একইসঙ্গে, গত বছরের ৩০.৯ শতাংশ থেকে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। এদিকে, রেভিনিউ তথা রাজস্ব প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২.৬৮ লক্ষ কোটি টাকায়। এর মধ্যে ট্যাক্স রেভিনিউ ছিল ৮.৪৫ লক্ষ কোটি টাকা এবং নন ট্যাক্স রেভিনিউ ছিল ৪.২৩ লক্ষ কোটি টাকা।

কী কারণে নন-ট্যাক্স রেভিনিউর ক্ষেত্রে বৃদ্ধি দেখা গেছে: জানিয়ে রাখি যে, নন-ট্যাক্স রেভিনিউ মধ্যে সাধারণত সরকারি খাতের সংস্থা এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) থেকে প্রাপ্ত ডিভিডেন্ড, স্পেকট্রাম থেকে আয় এবং সরকার কর্তৃক সংগৃহীত বিভিন্ন ফি অন্তর্ভুক্ত থাকে। নন-ট্যাক্স রেভিনিউর এই বৃদ্ধি ঘটেছে কারণ RBI কেন্দ্রীয় সরকারকে ২.৮৭ লক্ষ কোটি টাকার ডিভিডেন্ড অনুমোদন করেছে। যা গত বছর স্থানান্তরিত ২.৬৯ লক্ষ কোটি টাকার চেয়ে বেশি। এটি কেন্দ্রীয় সরকারকে তার রাজস্ব ঘাটতি কমাতে সাহায্য করবে।

ভারতে তৈরি হবে ভয়ঙ্কর অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল! আমেরিকান কোম্পানির সঙ্গে হাত মেলাল টাটা

উল্লেখ্য যে, তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবর্ষে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৩,৬৪৫ কোটি টাকায়। যা বাজেট লক্ষ্যমাত্রার ৭.৪ শতাংশ। এদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করার সময়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই অর্থবর্ষের জন্য রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা GDP-র ৪.৩ শতাংশ নির্ধারণ করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি সরকারের ফিসকাল কনসোলিডেশন এবং বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পথে তাঁর অঙ্গীকারও বজায় রেখেছেন।

'বাইরে থেকে দলকে সমর্থন করে যাব', আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ঘোষণা লিওনেল মেসির

ব্যয়ের ক্ষেত্রে, সরকার খাদ্য, সার ও পেট্রোলিয়ামের মতো প্রধান ভর্তুকি খাতে প্রায় ১.৫৪ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এটি বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার ৩৭ শতাংশ ছিল। যা গত বছরের একই সময়ের বাজেটে বরাদ্দ ৩০ শতাংশ ব্যয়ের চেয়ে বেশি।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Banglahunt