Dailyhunt
এক পায়ে দাঁড়াতে পারছেন না? আপনার আয়ু ও স্বাস্থ্যের গোপন সংকেত দিচ্ছে এই পরীক্ষা

এক পায়ে দাঁড়াতে পারছেন না? আপনার আয়ু ও স্বাস্থ্যের গোপন সংকেত দিচ্ছে এই পরীক্ষা

সুঠাম শরীর বা সিক্স প্যাক মানেই সম্পূর্ণ সুস্থতা নয়, বরং শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যই প্রকৃত সুস্বাস্থ্যের আসল মাপকাঠি। সম্প্রতি 'মেয়ো ক্লিনিক'-এর গবেষকরা জানিয়েছেন, একজন ব্যক্তি এক পায়ে কতক্ষণ ভারসাম্য বজায় রাখতে পারছেন, তার ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হতে পারে তার আয়ু। এই সহজ পরীক্ষাটি মূলত মানুষের 'নিউরোমাসকুলার এজিং' বা স্নায়ু ও পেশীর বার্ধক্যের একটি প্রধান সূচক হিসেবে কাজ করে।

গবেষণা অনুযায়ী, বয়স ভেদে এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকার নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সীদের জন্য কমপক্ষে ৪৩ সেকেন্ড এবং ৪০ থেকে ৪৯ বছর বয়সীদের জন্য ৪০ সেকেন্ড ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে এই সময় কমতে থাকে; যেমন ৭০-এর কোঠায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য ১৮-১৯ সেকেন্ড এবং ৮০ ঊর্ধ্বদের জন্য অন্তত ৫ সেকেন্ড এক পায়ে দাঁড়ানো সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ।

ব্রিটিশ জার্নাল অফ স্পোর্টস মেডিসিনের একটি প্রতিবেদন অত্যন্ত উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, কোনো মধ্যবয়সী ব্যক্তি যদি অন্তত ১০ সেকেন্ড এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তী এক দশকে তার মৃত্যুর ঝুঁকি দ্বিগুণ বেড়ে যায়। শরীরের এই ভারসাম্যহীনতা কেবল পেশীর দুর্বলতা নয়, বরং হৃদরোগের ঝুঁকি এবং হাড়ের ভঙ্গুরতারও ইঙ্গিত দেয়।

চিকিৎসকদের মতে, হাঁটা বা বাহুর শক্তির চেয়েও মানুষ দ্রুত শরীরের ভারসাম্য হারায়। দৃষ্টিশক্তি, মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই ভারসাম্য বজায় থাকে। তাই প্রতিদিন নিয়মিত এক পায়ে দাঁড়ানোর অনুশীলন করলে স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় থাকে এবং বার্ধক্যজনিত শারীরিক জটিলতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Barta