বিহারের ভাগলপুরের তিলকা মাঝি থানা এলাকায় পরকীয়া সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় এক জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারের ওপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে নিজের স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে হাতেনাতে ধরে ফেলায় ওই ইঞ্জিনিয়ারকে পিস্তলের বাট দিয়ে নৃশংসভাবে মারধর করা হয়।
অভিযুক্ত সুজিত মণ্ডল মায়াগঞ্জ হাসপাতালের ডাটা অপারেটর এবং স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ারের দাবি, গত তিন বছর ধরে তাঁর স্ত্রী, যিনি পেশায় একজন নার্স, সুজিতের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। ঘটনার দিন স্ত্রীকে সুজিতের সঙ্গে বাজারে ঘুরতে দেখে বাধা দিলে বচসা শুরু হয়। সেই সময় প্রকাশ্য রাস্তায় পিস্তল বের করে ইঞ্জিনিয়ারের মুখে ও মাথায় ক্রমাগত আঘাত করতে থাকে সুজিত। এমনকি তিনি অচেতন হয়ে পড়লে দীর্ঘক্ষণ ধরে তাঁর ওপর পাশবিক অত্যাচার চালানো হয়।
আহত ওই জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তিনি বরারি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্ত সুজিত মণ্ডলের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

