পূর্ব বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে হামিদ মণ্ডল নামে জইশ-ই-মহম্মদের এক সন্দেহভাজন এজেন্টকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (এসটিএফ)। পোশাক কারখানায় কাজের আড়ালে তিনি পাকিস্তানে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনের হয়ে কাজ করছিলেন বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, অভিযুক্ত রাজ্যের একাধিক হেভিওয়েট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালাচ্ছিলেন।
এসটিএফ সূত্রে জানা গেছে, হামিদের আদি বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কুসুমগ্রামে হলেও তিনি দীর্ঘ সময় হাওড়ার পিলখানায় কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি বর্ধমানের দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন রেনেসাঁ কমপ্লেক্সে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন, যেখানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তে জানা গেছে, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সাহায্যে তিনি পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং জইশ-ই-মহম্মদের সাজ্জাদ ভাট্টি গোষ্ঠীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন।
কলকাতা নিউটাউনে থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীসহ রাজ্যের শীর্ষ রাজনীতিবিদদের ওপর তাঁর নজরদারির বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। ধৃতের মোবাইল থেকে একাধিক সন্দেহভাজন নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশি পরিচয়ের বাইরে তাঁর আসল উদ্দেশ্য এবং আবাসন ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে জমির মালিকদের ভূমিকাও তদন্তের পরিধির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ধৃতকে আদালতে পেশ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নিচ্ছে।
