কর্ণাটকের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তরুণদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া ৭ হাজার শিক্ষার্থীর আক্রান্ত হওয়ার খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে কর্ণাটক স্টেট এইডস প্রিভেনশন সোসাইটি (কেএসএপিএস)। রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী প্রায় ৩৯ হাজার মানুষ এআরটি চিকিৎসার আওতায় এসেছেন, যার তথ্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে সংবাদমাধ্যমের একাংশে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে।
এই ভিত্তিহীন খবরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর দ্রুত এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
বর্তমানে এইচআইভি সংক্রমণ প্রতিরোধে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে ব্যাপক হারে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও স্বাস্থ্য শিবির পরিচালনা করছে সরকার। ন্যাশনাল এইডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (ন্যাকো)-এর তথ্যানুযায়ী, এইচআইভি সংক্রমণের তালিকায় ভারতজুড়ে কর্ণাটক তৃতীয় স্থানে রয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে আড়াই লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করার পাশাপাশি স্বেচ্ছায় রক্ত পরীক্ষা ও গোপনীয় কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে কিউআর কোড স্ক্যান করে শিক্ষার্থীরা নিজেদের স্বাস্থ্যঝুঁকি যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছেন। দেশের আইন অনুযায়ী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই পরীক্ষা বাধ্যতামূলক না হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক রাখা হয়েছে।

