বিশ্বস্ত সঙ্গীকে হারিয়ে শোকাতুর বিজেপি শিবির আর পুলিশের স্ক্যানারে দুষ্কৃতী গ্যাং!
বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের বুকে নেমে এল এক ভয়াবহ অন্ধকার। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে মাঝরাস্তায় গাড়ি আটকে গুলি করে খুন করল দুষ্কৃতীরা। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং ব্যক্তিগত সচিবের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্তম্ভিত রাজনৈতিক মহল।
এই হামলা যে অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ছিল, তা প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ থেকেই স্পষ্ট হচ্ছে।
পরিকল্পিত এই আক্রমণের ব্লু-প্রিন্ট
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, চন্দ্রনাথবাবুর গাড়িটি যখন মধ্যমগ্রামের জনবহুল রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, তখনই অতর্কিতে একদল সশস্ত্র হামলাকারী গাড়িটি আটকে দেয়। দুষ্কৃতীরা এমনভাবে আক্রমণ সাজিয়েছিল যে পালানোর কোনও পথই ছিল না। গাড়ি লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালানো হয়। গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া অবস্থায় চন্দ্রনাথ রথকে উদ্ধার করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক হিসেবে তিনি যেমন প্রশাসনিক কাজকর্ম সামলাতেন, তেমনই নেতার ব্যক্তিগত স্তরেও ছিলেন অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য।
নার্সিংহোমে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন অন্য সঙ্গী
এই গুলি চালনার ঘটনায় চন্দ্রনাথবাবুর পাশে থাকা আরও এক ব্যক্তি গুরুতর জখম হয়েছেন। বর্তমানে তিনি মধ্যমগ্রাম চৌমাথার ভিবাসিটি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন। তাঁর শরীরেও একাধিক গুলি লেগেছে বলে খবর। এই রক্তারক্তি কাণ্ডের জেরে মধ্যমগ্রাম এলাকায় পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। এই ঘটনার নেপথ্যে বড় কোনও রাজনৈতিক ছক কাজ করছে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদক: বর্তমান ঠাকুর।

