বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক নাবালিকার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন তৃণমূল নেতা ও বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন সভাপতি সুব্রত দত্ত। গত মার্চ মাসে পাত্রসায়রে ওই নাবালিকার মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই দেহ পুড়িয়ে ফেলা এবং পরিবারের অভিযোগ গ্রহণে বাধা দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে সুব্রত দত্ত ও তাঁর স্ত্রী পাত্রসায়র পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূরবী দত্তের বিরুদ্ধে।
এই ঘটনায় জুলাই মাসে পুলিশ নতুন করে তদন্ত শুরু করে মূল অভিযুক্ত রোহিত মল্লিক, রুম্পা মল্লিক এবং পূরবী দত্তকে গ্রেপ্তার করে।
তদন্ত চলাকালীন পলাতক থাকা সুব্রত দত্ত গত মঙ্গলবার রাতে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে রবিবার পুলিশ তাঁকে পাত্রসায়র ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে অপরাধের পুনর্নির্মাণ (ক্রাইম সিন রিকনস্ট্রাকশন) করে এবং পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি সম্পন্ন করে। সুব্রত দত্তকে হাফপ্যান্ট ও টি-শার্ট পরিয়ে পুলিশি নিরাপত্তায় ওই এলাকায় ঘোরানোর দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের এই ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর মাধ্যমে আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে।

