আগামী ১৭ মে জ্যোতিষশাস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ গ্রহ শনি তার অবস্থান পরিবর্তন করে রেবতী নক্ষত্রে প্রবেশ করতে চলেছে। বুধের এই নক্ষত্রে আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত অবস্থান করবেন ন্যায়ের দেবতা হিসেবে পরিচিত এই গ্রহ। গ্রহের এই নক্ষত্র পরিবর্তনের ফলে ১২টি রাশির জীবনেই ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব পড়তে চলেছে।
তবে জ্যোতিষ গণনায় দেখা যাচ্ছে, এই নির্দিষ্ট সময়ে তিনটি রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সময়টি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। বিশেষ করে যাদের ওপর বর্তমানে শনির ঢাইয়া চলছে, তাদের আর্থিক ও মানসিক সমস্যা বৃদ্ধির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
পেশাগত চাপ ও আর্থিক অস্থিরতা
শনির এই নক্ষত্র গোচরের প্রভাবে মিথুন রাশির জাতকদের কর্মক্ষেত্রে প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতে পারে। পেশাগত জীবনে অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপে ব্যক্তিগত ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে বড় কোনো বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই সময়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। অন্যদিকে, সিংহ রাশির জাতকদের জন্য উদ্বেগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে অনিয়ন্ত্রিত ব্যয়। শনির ঢাইয়ার প্রভাবে হঠাৎ খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় সঞ্চয়ে টান পড়তে পারে। হঠকারী বিনিয়োগ এই সময়ে বড় আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মানসিক উদ্বেগ ও সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা
ধনু রাশির জাতকদের জন্য আগামী অক্টোবর পর্যন্ত সময়টি মানসিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে কাটতে পারে। শনির প্রভাবে কর্মক্ষেত্রে নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্তও অনেক সময় প্রতিকূল ফল দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ধৈর্য হারানো বা তাড়াহুড়ো করে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করবে। জ্যোতিষীদের মতে, এই সংকটের সময়ে শনির কুপ্রভাব কাটিয়ে উঠতে প্রতি শনিবার অশ্বত্থ গাছের তলায় সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালানো এবং নির্দিষ্ট মন্ত্র জপ করা ইতিবাচক হতে পারে। পাশাপাশি যেহেতু শনি বুধের নক্ষত্রে অবস্থান করছে, তাই বুধ গ্রহকে সন্তুষ্ট রাখতে বুধবার সবুজ রঙের বস্তু দান করা এবং গণেশ আরাধনায় সুফল মেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

