Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
জলবায়ু পরিবর্তন কি আমাদের আরও লম্বা হওয়া থমকে দেবে?

জলবায়ু পরিবর্তন কি আমাদের আরও লম্বা হওয়া থমকে দেবে?

BBC বাংলা 0 months ago

ত প্রায় দেড়শো বছরে প্রজাতি হিসেবে মানুষ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে লম্বা হয়েছে। তবে সেই দিন হয়তো শেষের দিকে। আর এর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সামনে আসছে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে আরও চরম আবহাওয়া, তাপপ্রবাহ ও বাড়তি আর্দ্রতা সৃষ্টির কথা সবারই জানা। নতুন করে এখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক দেখছেন যে, এই অবস্থা জন্মের আগেই শিশুদের বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

গবেষক দলটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ বছরের কম বয়সী ২ লাখ শিশুর ওপর পরীক্ষা চালিয়েছে।

তারা অনুমান করেছেন, যেসব শিশু মাতৃগর্ভে থাকার সময় গর্ভাবস্থার প্রতিটি ত্রৈমাসিকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা ও উচ্চ আর্দ্রতার সম্মুখীন হয়েছে, তারা তাদের বয়স অনুযায়ী প্রত্যাশিত উচ্চতার তুলনায় ১৩ শতাংশ খাটো হবে।

জন্ম থেকে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত উচ্চতা বৃদ্ধি একটি শিশুর সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

যদিও একজন মানুষের চূড়ান্ত উচ্চতা অনেকাংশে জেনেটিক্সসহ পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের মতো অন্যান্য বিষয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়, তবে প্রধান গবেষক কেটি ম্যাকমাহন তাদের গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বেড়ে যাওয়া তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা দক্ষিণ এশিয়ায় পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের গড় উচ্চতা কমিয়ে দিতে পারে।"

তিনি আরও বলেন, "বৈশ্বিক চিত্র এখনও অনিশ্চিত থাকলেও আগামী দশকগুলোতে প্রশমন ও অভিযোজনের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে"।

"আমরা যুক্তিসঙ্গতভাবেই ধরে নিতে পারি যে, উচ্চ তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার নিম্ন ও মধ্যম আয়ের অন্যান্য দেশগুলোতেও একই ধরনের ফলাফল পাওয়া যাবে।"

বিশ্বব্যাংকের তালিকা অনুযায়ী, প্রায় ১২০টি দেশ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের অন্তর্ভুক্ত।

মানব উচ্চতায় 'কনসার্টিনা' প্রভাব

বিজ্ঞানীরা জানেন যে, ইতিহাসজুড়ে মানুষের উচ্চতায় বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষ করে একাধিক গবেষণা অনুযায়ী, প্রায় ১০ হাজার বছর আগে শিকারি জীবনধারা থেকে কৃষিনির্ভর জীবনে যাওয়ার শুরুর দিকে গড় উচ্চতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল।

আরও সাম্প্রতিক সময়ের কথা বললে, ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক রিচার্ড স্টেকেল একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রকাশ করেন।

তিনি নবম থেকে উনবিংশ শতাব্দীর মধ্যে উত্তর ইউরোপের বিভিন্ন সমাধিস্থল থেকে উদ্ধার করা হাজার হাজার কঙ্কালের উচ্চতার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেন, এই সময়ে গড় উচ্চতা ওঠানামা করেছে এবং সপ্তদশ শতাব্দীতে তা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে।

সে সময় ইউরোপ নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলো। এর মধ্যে ছিল শহরের সম্প্রসারণ- যা সংক্রামক রোগের বিস্তার বাড়িয়েছিলো, কৃষি উৎপাদনে পরিবর্তন, এমনকি 'লিটল আইস এজ' বা শীতল সময়কাল, যার স্থায়িত্ব ছিল ষোড়শ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত।

অধ্যাপক স্টেকেল তার গবেষণায় লিখেছেন, "সপ্তদশ শতাব্দী নাগাদ উত্তর ইউরোপের পুরুষদের গড় উচ্চতা প্রায় আড়াই ইঞ্চি [ছয় দশমিক চার সে.মি.] কমে গিয়েছিল, যা বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের আগ পর্যন্ত পুরোপুরি ফিরে আসেনি।"

যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের জনস্বাস্থ্য গবেষক ড. আন্দ্রেয়া রদ্রিগেজ মার্টিনেজ মানুষের উচ্চতার ট্রেন্ডস বা প্রবণতা নিয়ে একাধিক গবেষণাপত্র লিখেছেন। তার আশঙ্কা, জলবায়ু পরিবর্তন আধুনিক জনসংখ্যার ওপরও একই ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

"জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রায় এক বিলিয়ন (১০০ কোটি) শিশু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের 'অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিতে' রয়েছে। বলা যায়, জলবায়ু পরিবর্তন বিভিন্নভাবে শিশুদের বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে", বলেন তিনি।

খাটো হয়ে আসা ডাচ দৈত্য

 কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ ফিফা পুরুষ বিশ্বকাপে পেনাল্টি শুটআউটের সময়, ২০৩ সেন্টিমিটার উচ্চতার দীর্ঘকায় ডাচ ফুটবলার আন্দ্রিজ নোপার্টের সামনে আর্জেন্টিনার ফুটবলার লিওনেল মেসি

বিংশ শতাব্দীর দিকে সামগ্রিকভাবে তাকালে দেখা যায়, জীবনযাপনের মান মানুষের উচ্চতার ওপর প্রভাব ফেলেছে।

২০১৭ সালে স্বাস্থ্যবিজ্ঞানীদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক এনসিডি-রিস্ক ১৮৯৬ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া ২০০টি দেশের নারী-পুরুষের বায়োমেট্রিক ডাটা বা জৈবিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এতে ধারণা করা হয়, ওই সময়ে বিশ্বব্যাপী পুরুষদের গড় উচ্চতা ১৬২ সেন্টিমিটার থেকে বেড়ে ১৭১ সেন্টিমিটারে পৌঁছেছে। নারীদের ক্ষেত্রে তা ১৫১ সেন্টিমিটার থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫৯ সেন্টিমিটার।

তবে সব দেশে এই বৃদ্ধি সমান ছিল না। উদাহরণ হিসেবে, ইরানের পুরুষরা প্রায় ১৬ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার লম্বা হয়েছে। আর দক্ষিণ কোরিয়ার নারীরা বেড়েছে ২০ দশমিক ২ সেন্টিমিটার।

অন্যদিকে, এই তালিকার নিচের দিকে থাকা মাদাগাস্কারের নারীরা পুরো শতাব্দীতে মাত্র দেড় সেন্টিমিটার লম্বা হয়েছে। পাকিস্তানের পুরুষরা বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ২৭ সেন্টিমিটার।

কেন এই বৈষম্য?

"উচ্চতার তারতম্য অনেকাংশে জেনেটিক্স দ্বারা নির্ধারিত হলেও এটি পুষ্টি, পরিবেশ এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত", ব্যাখ্যা করেন ড. মার্টিনেজ।

এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টিকর খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির প্রাপ্যতার পাশাপাশি রয়েছে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতিও, যা আমাদের রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার সক্ষমতা বাড়িয়েছে।

বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল ফলো করতে এখানে ক্লিক/ট্যাপ করুন

কিছু তথ্য এমন ইঙ্গিতও দিচ্ছে যে, মানুষের গড় উচ্চতার বৃদ্ধি হয়তো স্থিতিশীল হয়ে আসছে - অন্তত বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা কয়েকটি জাতির ক্ষেত্রেতো বটেই।

উন্নত জীবনমান, ভালো মানের খাবারের প্রাপ্যতা আর চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে ডাচরা বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষ হিসেবে পরিচিত। "তাদের অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায় বসবাসের পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যকর, লম্বা জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি স্পষ্ট সম্পর্ক রয়েছে", বলেন নেদারল্যান্ডসের ওয়াগেনিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য ও সমাজ বিষয়ক অধ্যাপক ক্রিস্টিনা থম্পসন।

তবে নেদারল্যান্ডসের পরিসংখ্যান ব্যুরো - সিবিএস'র তথ্য অনুযায়ী, তাদের গড় উচ্চতা কিছুটা কমেছে।

১৯৮০ সালে জন্ম নেওয়া পুরুষরা ১৯ বছর বয়সে গড়ে ১৮৩ দশমিক ৯ সেন্টিমিটার লম্বা ছিল। কিন্তু ২০০১ সালে জন্ম নেওয়া পুরুষদের ক্ষেত্রে তা কমে ১৮২ দশমিক ৯ সেন্টিমিটার হয়েছে। ডাচ নারীদের ক্ষেত্রেও গড় উচ্চতা ১৭০ দশমিক ৭ সেন্টিমিটার থেকে কমে ১৬৯ দশমিক ৩ সেন্টিমিটার হয়েছে।

সিবিএস'র এক বিবৃতি অনুযায়ী, এর একটি কারণ হতে পারে "গড় খাটো উচ্চতার নতুন জনগোষ্ঠীর অভিবাসন এবং এখানে তাদের জন্ম নেওয়া সন্তানরা।" তবে একইসঙ্গে ডাচ বংশোদ্ভূত বাবা-মায়ের সন্তানদের মধ্যেও উচ্চতা কমে যাওয়ার প্রবণতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

থম্পসন বলেন, "এই হ্রাসের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। খাদ্যের গুণগত মান কি কমেছে? নাকি শৈশবকালীন স্থূলতা উচ্চতা বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে?"

বৈষম্যের কারণে থমকে যাচ্ছে উচ্চতার বৃদ্ধি

এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোই বৈশ্বিক উচ্চতা তালিকার শীর্ষস্থান দখল করে আছে।

তবে এই তালিকা বদলাতেও পারে।

এনসিডি'র তথ্য অনুযায়ী, ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ উচ্চতার দেশ ছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু বর্তমানে আমেরিকানরা শীর্ষ ২০'র মধ্যেও নেই।

সেটা অবশ্য তাদের খাটো হবার জন্যে না। কারণ ১৯৯৬ সালে জন্ম নেওয়া আমেরিকান পুরুষরা তাদের ১০০ বছর আগে জন্ম নেওয়া পূর্বপুরুষদের তুলনায় গড়ে ছয় সেন্টিমিটারের বেশি লম্বা। বরং বিশ্বের অন্য দেশগুলো আরও দ্রুত হারে লম্বা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ ও মানুষের শারীরিক গঠন নিয়ে গবেষণা 'অ্যানথ্রোপোমেট্রিক' ইতিহাসের অগ্রদূত জন কমলস মনে করেন, সময়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যে সামাজিক-অর্থনৈতিক বৈষম্য বেড়েছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে চিকিৎসাসেবার প্রাপ্যতা নিয়ে, সেটিই এর পেছনে বড় কারণ।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, "যেসব দেশ কল্যাণরাষ্ট্রভিত্তিক নীতি গ্রহণ করায় দরিদ্ররাও তাদের সন্তানদের ডাক্তার দেখাতে পারে তাদের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র পিছিয়ে পড়েছে।"

প্রফেসর কমলস বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে, বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে বেড়ে চলা স্থূলতার হারকেও দায়ী করেন। যদিও সরকারি তথ্য বলছে, গত দুই দশকে আমেরিকানদের খাদ্যাভ্যাসের কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবুও দেখা যাচ্ছে ১৮ বছরের নিচে অর্ধেকের বেশি আমেরিকান এখনও পুষ্টিগত দিক থেকে পিছিয়ে।

তিনি আরও বলেন, "অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে আপনি যদি একটি জনগোষ্ঠীর উচ্চতা বাড়াতে চান বা সেই বৃদ্ধি ধরে রাখতে চান, তাহলে প্রথমেই তাদের সঠিকভাবে পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে।"

দুই কোরিয়া এবং দুই জার্মানির গল্প

 আমরা প্রত্যেকে কতটা লম্বা হব, তা বংশগতি এবং পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের মতো অন্যান্য বিষয় দ্বারা নির্ধারিত হয়।

মানুষের উচ্চতার ক্ষেত্রে জীবনযাপনের প্রভাব কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার আরেকটি শক্তিশালী উদাহরণ কোরিয়া। ১৯৫০'র দশকের যুদ্ধে দেশটি উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ায় বিভক্ত হওয়ার পর এ পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

২০১১ সালে সিউলের সাংকিউনকোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এক গবেষণায় দেখা যায়, উত্তর কোরিয়ায় জন্ম নেওয়া মানুষ গড়ে তাদের চেয়ে তুলনামূলকভাবে সমৃদ্ধ দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষের চেয়ে প্রায় আট সেন্টিমিটার পর্যন্ত খাটো হয়।

একই ধরনের তবে তুলনামূলকভাবে কম পার্থক্য দেখা গেছে জার্মানির ক্ষেত্রেও। ১৯৪৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দেশটি পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানিতে বিভক্ত ছিল। এই সময়ে জন্ম নেওয়া মানুষের তুলনায় দেখা যায়, পশ্চিম জার্মানির মানুষ পূর্ব জার্মানির মানুষের চেয়ে গড়ে প্রায় এক সেন্টিমিটার বেশি লম্বা ছিল।

তাহলে কি মানুষের উচ্চতা বৃদ্ধি থমকে গেছে?

কিছু উন্নত দেশে উচ্চতা বৃদ্ধি হয়তো সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে যাওয়া বা স্থিতিশীল হয়ে পড়ার প্রমাণ রয়েছে। তবে এটি আংশিকভাবে পুষিয়ে যেতে পারে যদি উন্নয়নশীল দেশগুলো দ্রুত উন্নতির মাধ্যমে সেই ব্যবধান কমিয়ে আনতে পারে।

তবে এ কথাও সত্য যে, বিশ্বের যেসব অঞ্চলে এখনো সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির সুযোগ রয়েছে, সেখানে অগ্রগতি সম্ভব। কিন্তু একই সঙ্গে মানুষের তৈরি জলবায়ু পরিবর্তন এই অগ্রগতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানোর শঙ্কাও বাড়ছে।

"যেসব মানুষ বেশি তাপমাত্রা ও দ্রুত বাড়তে থাকা আর্দ্রতার মধ্যে বসবাস করেন, তারা প্রায়ই জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধার মুখে পড়েন", বলেন কেটি ম্যাকমাহন।

"যারা কৃষিখাতের মতো বাইরে কাজ করেন এবং যাদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের সুযোগ খুব কম বা নেই, তাদের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের পর্যবেক্ষিত নেতিবাচক প্রভাবগুলোকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে", বলেন তিনি।

দেয়ালে লাগানো একটি মাপকাঠির পাশে একটি ছোট শিশু সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সাদা কোট পরিহিত একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি শিশুটির খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছেন এবং উচ্চতা মাপার জন্য একটি অনুভূমিক দণ্ডকে শিশুটির মাথার ঠিক ওপরের অংশে সমান্তরালভাবে ধরে মাপকাঠির সাথে মিলিয়ে নিচ্ছেন।

source: bbc.com/bangla

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: BBC Bangla