Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Bankura, Municipality,   অবশেষে পদত্যাগ বাঁকুড়া পুরসভার পৌরপ্রধানের

Bankura, Municipality, অবশেষে পদত্যাগ বাঁকুড়া পুরসভার পৌরপ্রধানের

সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ১৭ জুন: এবার বাঁকুড়া পুরপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অলকা সেন মজুমদার। বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী পৌরসভার পর আজ বাঁকুড়া পৌরসভার প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন পৌরপ্রধান অলকাসেন মজুমদার।

রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক পুরসভা হাতছাড়া হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের।

বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী পুরসভার পর এবার বাঁকুড়া পুরসভাও তৃণমূল কংগ্রেসের হাতছাড়া হলো। বুধবার পৌরপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অলকা সেন মজুমদার। এদিন বাঁকুড়া সদর মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।

এদিন ইস্তফা দেওয়ার পর অলকা সেন মজুমদার বলেন যে, ২০২২ সালে পৌর নির্বাচনে জনগণ তৃণমূলকে আশীর্বাদ করেছিল। ২৪ আসনের পৌরসভায় ২২জন তৃণমূল প্রার্থী জয়ী হয়। তিনি বলেন, পৌর বোর্ড গঠনের পর দল তাকে যে দায়িত্ব দিয়েছিল সেই দায়িত্ব তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করেছেন। ব্যক্তিগত কিছু কারণ ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়েই তিনি পদত্যাগ করলেন। আগামী দিনে দল যে দায়িত্ব দেবে সেই দায়িত্বও তিনি পালন করবেন।

উল্লেখ্য, সোনামুখী পুরসভার পুরপ্রধান সন্তোষ মুখোপাধ্যায়ও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সম্প্রতি ইস্তফা দিয়েছেন। গত ২০২২ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের বোর্ড গঠনের পর অলকা দেবী পুরপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে গত কয়েক বছরে বাঁকুড়া পুরসভাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। এমনকি পুর বোর্ডের সদস্যদের মতভেদ ও ক্ষোভ প্রকাশ্যে এসেছে। উন্নয়নমূলক কাজ নিয়েও পুরবাসীদের অসন্তোষের মুখে পড়তে হয়েছে। রাজ্যে সরকার বদলের পর বাঁকুড়া পুরসভা একাধিকবার রাজনৈতিক সংঘাতের কেন্দ্রে উঠে আসে। কখনও বোর্ড পরিচালনা নিয়ে বিতর্ক, কখনও দলীয় কোন্দল, আবার কখনও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাজকর্ম নিয়ে অসন্তোষ সামনে এসেছে। এ প্রেক্ষিতে উল্লেখ্য গত সপ্তাহের বুধবার অলকাদেবীর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন তৃণমূলেরই ১৬ জন কাউন্সিলর। এই অনাস্থা প্রস্তাবে উপ পুরপ্রধান- সহ মোট ১৬ জন তৃণমূল কাউন্সিলর স্বাক্ষর করেছিলেন।

উল্লেখ্য, বাঁকুড়া পুরসভায় ২৪জন কাউন্সিলরের মধ্যে ২১ জন তৃণমূলের। পুরসভার বাকি ৩ নির্দল কাউন্সিলরের মধ্যে ২ জন পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দেন। এই বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলরদের দাবি ছিল, রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই পুরপ্রধান বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলছেন।এমনকি তিনি অন্যান্য কাউন্সিলরদেরও বিজেপির কথামতো এলাকায় কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Bengali Amader Bharat