Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
অভিনব দাবি! শতাব্দী-কাজলদের কাছে ভোট ফেরত চাইলেন বীরভূমের ভোটাররা

অভিনব দাবি! শতাব্দী-কাজলদের কাছে ভোট ফেরত চাইলেন বীরভূমের ভোটাররা

বিজেপিকে রুখতে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিলেন বীরভূমের (Birbhum) মানুষ। তার আগে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনেও তৃণমূল প্রার্থীকেই জয়যুক্ত করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু এবার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের হাত থেকে ক্ষমতা চলে যাওয়ায় রং বদলান দলের অধিকাংশ বিধায়ক-সাংসদ (MLA-MP)।

বিধায়করা আলাদা গোষ্ঠী করেছেন। আর তৃণমূল সাংসদরা একটি নতুন তৈরি হওয়া দল এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের কাছে ভোট ফেরত চাইলেন বীরভূমের মানুষ। স্থানীয় কংগ্রেস নেতা মিল্টন রশিদের নেতৃত্বে এক সভা থেকে আওয়াজ ওঠে, “কাজল শেখ ভোট ফেরত দাও… শতাব্দী রায় ভোট ফেরত দাও“।

একসময় বীরভূমের হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন কংগ্রেসের মিল্টন রশিদ। যদিও গত লোকসভা নির্বাচন এবং তার আগে বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েও পরাজিত হন। বর্তমানে কংগ্রেসেই (Congress) রয়েছেন তিনি। তবে এবারের নির্বাচনে তাঁরা তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিলেন বলে ইঙ্গিত। কারণ মমতাশিবির থেকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrabrota Banerjee), সন্দীপন সাহাদের (Sandipan Saha) গোষ্ঠীতে নাম লেখানো কাজল শেখের (Kajol Sheik) বিরুদ্ধে গদ্দার বলে আওয়াজ তুললেন মিল্টনের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে পদ্মশিবিরে নাম লেখানো (যেহেতু এনসিপিআই কেন্দ্রে এনডিএ সরকারকে সমর্থন করছে) শতাব্দী রায়ের (Satabdi Ray) বিরুদ্ধেও স্লোগান তোলেন তাঁরা।

মিল্টনদের দাবি, ভোট ফেরত দিন এই জনপ্রতিনিধিরা। অর্থাৎ বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন তাঁরা। তাঁদের ভোটে জয়ী হয়ে লোকসভা বা বিধানসভায় গিয়েছেন। কিন্তু এখন ব্যক্তিগত ফায়দার জন্য দল ছেড়ে বিজেপি শিবির এই কার্যত নাম লিখিয়েছেন তাঁরা। যে জনগণের ভোট নিয়ে তাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে ‘বেইমানি’ করা হয়েছে- এই অভিযোগ তুলেছেন মিলটন ও তাঁর সতীর্থরা। আর সেই কারণেই ভোট ফেরতের দাবি এর তোলেন তাঁরা।

এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও তৃণমূলের (TMC) শীর্ষ নেতৃত্ব কটাক্ষ করে বলেন, যাঁরা দলে ভাঙন ধরিয়ে অন্য শিবিরের নাম লেখাচ্ছেন, তাঁরা সবাই তৃণমূলের প্রতীক ও নাম ব্যবহার করে নির্বাচনে জিতেছেন। এখন হিম্মত থাকলে ইস্তাফা দিয়ে নিজেদের দমে জিতে আসুন। কার্যত সেই কথারই প্রতিধ্বনি শোনা গেল কংগ্রেস নেতা মিল্টন রশিদের গলায়।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Biswa Bangla Sangbad