বারুইপুর কাণ্ডে একদিকে যখন এনকাউন্টার নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। তখন রাজ্যে অপর প্রান্তে দেখা গেল পুলিশের অতিসক্রিয়তা। মুর্শিদাবাদে এই ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলন করার অনুমতি দেওায়া হল না।
বারুইপুরের নাবালিকার ধর্ষণ ও হত্যার দ্রুত বিচার ও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে রাস্তায় নামতে দেওয়া হয়নি।
প্রশাসনের কড়া নির্দেশ, পার্টি অফিসের ভিতরেই মৌন মিছিল করুন। সারাভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি (AIDWA) ও ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (SFI)-এর কর্মীদের অফিসের গেটেই আটকে দেয় পুলিশ। শুরু হয় ব্যাপক বচসা।
প্রতিবাদীদের কোনওমতেই রাস্তায় নামতে দিতে নারাজ পুলিশ। প্রশাসনের সাফ কথা, মিছিল কোনওভাবেই জনসমক্ষে করা যাবে না! 'মিছিল' করতে হবে পার্টি অফিসের ভিতরে, চার দেওয়ালের মধ্যে! কেন? কীসের এত ভয় পুলিশের?
নতুন সরকার পুলিশকে অপরাধ দমনে 'ফ্রি হ্যান্ড' দিয়েছে। কিন্তু পুলিশ বারুইপুরে অপরাধ দমনের বদলে রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ-দমনে 'বিশেষ' উদ্যোগী হয়েছে। গরিবের পেটে লাথি মেরে হকার উচ্ছেদ থেকে প্রতিবাদী মিছিল আটকানোতেই বেশি উৎসাহ পুলিশের। তাতে বারুইপুরে ধর্ষণে অভিযুক্ত যদি পুলিশের হাত থেকে ছাড়াও পেয়ে যায়, তাতে কার কি আসে যায়!

